‘এটা হচ্ছে সেই সময়, যখন আমাদের সবাইকে এক হয়ে ওদের পাশে দাঁড়াতে হবে। আমি আমার মতো করে পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আপনারাও করবেন আশা করি। বাংলাদেশ—এক বড় পরিবার।’ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে গত বুধবার এই স্ট্যাটাস দিয়েছেন ছোট ও বড় পর্দার তারকা নুসরাত ইমরোজ তিশা।
তিনি এখন আছেন কক্সবাজারে। সাগর জাহানের ঈদের একটি নাটকের শুটিং করছেন। আজ রোববার সকালে কক্সবাজার থেকে চ্যানেল আই অনলাইনকে তিশা বলেন, ‘টিভির সংবাদে যখন হাওরের মানুষগুলোর দুঃখ–দুর্দশার চিত্র দেখছি, ততই মুষড়ে পড়ছি। ওদের জন্য কী করব, বুঝতে পারছি না। কিছু তো একটা করতে হবে। কিন্তু আমি একা! এখানে আমার পাশে আরও অনেককে লাগবে। প্রথম আলো কিংবা চ্যানেল আইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলে যদি কিছু করা যায়, তাহলে ব্যাপারটা অনেক বড় হবে।’
তিশা জানান, তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে এরই মধ্যে হাওর এলাকার কিছু মানুষকে সহযোগিতা করেছেন। তবে এত বড় দুর্যোগে তার একার পক্ষে অনেক কিছু করা সম্ভব নয়।তিশা তার পাশে এসে নাটক, চলচ্চিত্র আর সংগীত অঙ্গনের মানুষগুলোকে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানান।
তিশা বলেন, আমি ২ মে ঢাকায় ফিরছি। ফিরেই হাওরের মানুষদের কল্যাণের জন্য, তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য, তাদের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার করার জন্য উদ্যোগ নিতে চাই।
পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বেশির ভাগ হাওর অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে কৃষকদের ফসল। নিঃস্ব হয়েছেন কৃষকেরা। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে এখন ওই সব এলাকার মানুষজন।








