বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যার অভিযোগে কুমিল্লার একটি এবং মানহানির অভিযোগে নড়াইলে করা আর একটি মামলায় হাইকোর্টে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার করা জামিন আবেদনের শুনানি আগামীকাল (২২ মে)।
এই দুই মামলা সোমবার শুনানির জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেলের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আগামীকাল দিন ধার্য করেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার জামিনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার এহসানুর রহমান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। এরপর থেকেই খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।
এরপর এই মামলায় খালেদা জিয়া জামিন আবেদন করলে গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন।
কিন্তু সে জামিনের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক লিভ টু আপিল করলে গত ১৬ মে তা খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।
এই রায়ের ফলে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদার জামিন বহাল থাকে।
তবে আরো কয়েকটি মামলায় জামিন না থাকায় কারাগার থেকে খালেদা জিয়া বের হতে পারেননি।
এরপর গত ২০ মে কুমিল্লার ২টি ও নড়াইলের ১টি মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে খালেদা জিয়া।







