এই পৃথিবীতে একদিন আগমন করে একটি নাম পেয়েছিলেন, যার ভেতর ‘শের’ শব্দটি কী চমৎকার অবস্থান নিয়ে আছে। সেই নামটুকুর গভীরে কতো গুরুজনের কতো যে আদর এবং স্নেহ মিশে আছে। আর বাংলাদেশের জন্মের সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই শের সাহেবকে ‘বীরবিক্রম’ সম্মাননা প্রদান করেছেন।
বীরত্বের এমন ব্যঞ্জনা ক’জনের এই ধরাধামে মেলে এই সিলেট ধামের চৌধুরী সাহেবের মতো। মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় সেনাবাহিনীর সদস্য হিসাবে বাঙালি জনগণের প্রতিরোধ সংগ্রামে শের-ই-বিক্রম সাহেবের রক্তঝরা ভূমিকা কোনোভাবেই এতটুকু ম্লান হবার নয়।
তবে চেষ্টার তিনি কসুর করেননি। কীভাবে নিজের মহান, বিশাল ও পবিত্র অর্জনকে ম্লান থেকে ম্লানতর করতে হয়, অধঃপতনের সেই শিল্পকলার তিনি একজন মহান শিল্পী হিসাবেই স্বীকৃত হতে পারেন। জীবনের এই পড়ন্ত বেলায় হঠাৎ তিনি পিছলে হড়কে পড়ে গেলেন কোথা। ভড়কে গিয়েছেন শেরজী। শের থেকে বিল্লী। হঠাৎ। ভেজা জবুথবু। কম্পমান। এমনটা হলো কেন?
তিন তিনটি জুয়ায় হেরে গেছেন শেরজী পর পর। আহত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পররাষ্ট্র বিভাগে তার কর্মভার ন্যস্ত হয়েছিলো একদিন। চৌকশ, স্মার্ট, ইংরেজিতে লিখন এবং বচনে তুখোড় এই পররাষ্ট্র-শের একদিন সচিব হিসাবে ফুটে উঠলেন বঙ্গ-আকাশে। একটু পেছনে গেলে ইতিহাস-পাঁজি খুললে দেখা যায় স্বাধীন স্বদেশের বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বের সরকার তাকে ‘বীর-বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করেছিলেন সেই ১৯৭২ সনে। এই বীর নাকি উল্লাসের উচ্ছ্বাসের তরঙ্গ-বিক্রমের প্রদর্শনী ঘটিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের সময়কালে। তারপর থেকেই ‘বাংলাদেশী’ নবরাজের নেক-নেতার দৃষ্টিপুষ্পে সুরভিত ছিলেন তিনি জীবনের ধাপে ধাপে।
প্রথম জেনারেলের পর দ্বিতীয় জেনারেলের আমলেও তার ‘উর্ধ-উত্থান’ অব্যাহত ছিলো। দেশনেত্রীর নেত্রও তাকে সুদৃষ্টি থেকে বঞ্চিত করেনি। ১৯৯৬-২০০১ আমলে তিনি বিপন্ন হয়েছেন কিনা জানিনা। তবে ২০০১-২০০৬ আমলে তিনি কার্যতঃ পররাষ্ট্র বিষয়ের ভিতর বাহিরের প্রধান সুষমা হিসাবেই বিরাজ করছিলেন। অবসরের পরেই এই শের হলেন দেশনেত্রী-রাজনীতির পররাষ্ট্র বিষয়ক যোগাযোগ শিরোমনি।
দেশনেত্রী-যুবরাজ গোষ্ঠী ক্ষমতায় পুনঃ সমাসীন হলে কে হবেন পররাষ্ট্র আলোকবর্তিকা? এই প্রশ্নটির জবাব ছিলো তর্কাতীত। ঐ ড্যাশিং তুখোড়বাচক শমচৌ ছাড়া আবার কে? ২০০৮ সনে নানা অংকের জটিল হিসাবে, তৃণমূলের ব্যাপক আকাংখায় ক্ষমতায় যিনি এবং যারা এলেন, এই ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে বিশেষতঃ বিশ্বগুরুদের মিললোনা একটি জায়গায় মূলতঃ।
কক্সবাজারের সোনাদিয়া উপকূলে গভীর সমুদ্রবন্দরের যে সামগ্রিক মাতব্বরী চায় বিশ্বপুঁজিগুরু, সেটা নিয়ে পরিষ্কার কোনো কথা বলছেন না মেরুদ-ময়ী প্রধান নেত্রী। অতএব বিশ্বগুরুর এদেশীয় সকল শক্তিকে একত্র করে ঐ ক্ষমতাসীনাকে আঘাত হানার এক রূপরেখা তৈরি হলো সুশীল ও মিডিয়া ভুবনের একদল প্রাক্তন মেধাবী মস্কোপন্থী, জামায়াত ও কওমী মোল্লাদের ষড়যন্ত্রের এক হামানদিস্তায় মিশিয়ে।
বিশ্বগুরুদের স্থানীয় অধ্যাপক দূতকে কেন্দ্র করে এই ভয়ংকর চক্রান্তের ঘূর্ণিঝড় প্রবলবেগে আঘাত হানলো ক্ষমতাদূর্গে। ২০১৩ সনের ৫ মে সেই আঘাতে ধর্মীয় অভ্যুত্থান প্রায় সফল হয়ে যায়! দেশনেত্রীর সর্বাত্মক আহ্বানে রাজধানীর জনগণ ওদের পাশে এসে দাঁড়ালেই ক্ষমতার সব কেল্লা বুঝি ফতে হয়ে যায় নিমেষে। না, সে সময় মোল্লাগোষ্ঠীকে ক্ষমতায় সরাসরি আসতে দেয়া হতো না। তখন ক্ষমতার স্যুট কোট পরে কে কে কোথায় অপেক্ষা করে ওঁৎ পেতে অবস্থান নিয়েছিলেন, সেসব নিয়ে মুখরোচক গল্প আছে ঢের। আমাদের শেরজীও নাকি ছিলেন তাদেরই একজন। কিন্তু হাঃ দেশনেত্রীর ডাকে পথে নামলোনা তার দলের কেউ।
বিশ্বগুরুর অধ্যাপক-দূতের দেশীয় সাঙাৎদের কোরগ্রুপের একজন ছিলেন শমচৌ। দেশনেত্রী-যুবরাজের সংযোগ-সূত্রের জ্যোতির্ময় ব্যক্তি হিসাবে শেরজীর ছিলো আলো-ধকধক ভূমিকা ও কাজ। ২০১৪ সনের ৫ জানুয়ারির সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার নির্বাচনের আগে প্রবল ধাক্কা দেয়ার প্রধান কর্মসূচিটি ভেস্তে গেলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রশক্তির অভাবনীয় দক্ষতায়। এতো অল্প রক্তে ঐ বিশাল গণসমুদ্রকে শক্তভাবে হটিয়ে দেবার অভিযানটি বিশ্বমাপেই অনন্য।
২০১৩ সনের মে মাসের জুয়ার দানটি চলতেই থাকলো। পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থদান ভন্ডুল করার সাফল্যে বিজয়ী গোষ্ঠী একের পর এক অভিযান ঘটাতেই থাকলো। বিপরীতে ক্ষমতাসীন নেত্রীও স্বীয় দেশী-বিদেশী সমর্থনকে সম্বল করে ‘হোক পাল্টা আঘাত’ রণধ্বনিতে এগিয়ে চললেন মূলতঃ মানসিক হিম্মতকে ভরসা করে। বাংলাদেশ নিজেই পদ্মা সেতু নিজের অর্থেই তৈরি করবে এমন একটি ঘোষণার চাপড় বিশ্বব্যাংক তার জন্মের পর ভক্ষণের অভিজ্ঞতা অর্জন করেনি। এদিকে বিশ্বগুরুর এদেশীয় অধ্যাপক বকবক দূতটি হিল্লী দিল্লী করেও কল্পে পেলোনা।
২০১৪ সনের ৫ জানুয়ারির আগে ২৯ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে ওরা ঘটাতে চাইলো এক ‘মহা-সুশীল অভ্যুত্থান’। না, কোনক্রমেই নির্বাচন হতে পারবেনা ৫ জানুয়ারি। তাহলেইতো সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার অভাবে ক্ষমতাসীনা ফুটুস হয়ে যাবেন নিমেষে। ক্ষমতা নিতে বাধ্য হবে সামরিক ওরা। তারপরেইতো ‘যাহা চাই, তাহা বুঝে শুনেই চাই’।
সে সময়টাতে দেশনেত্রী-যুবরাজ-যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠীর সম্মিলিত ঐক্যজোট বিষাক্ত আগুনে বাংলাদেশকে ছারখার করে দিতে চাইলো। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হত্যা করো। গাড়ি জ্বালাও। বাড়ি জ্বালাও। পুড়িয়ে মারো। স্কুল জ্বালাও। ভন্ডুল করে দাও নির্বাচন। একাত্তরের যুদ্ধটির যেন একবিংশ শতাব্দীর রূপ। পাশাপাশি চলছিলো কূটনৈতিক যুদ্ধ। ওখানটিতেই শেরজীদের কলাকুশলতা। সেসময়ের একটি লন্ডন-ঢাকা টেলিফোন-আলাপ চালাচালির যুবরাজ-শমচৌ অধ্যায় জানার সুযোগ হলো তথ্য প্রযুক্তির ইউটিউব মাহাত্ম্যে। স্বকর্ণে অমন আলাপ শোনার সুযোগধন্য না হলে বুঝতেই পারতামনা, আমাদের একাত্তরের মহান বীর মুক্তিযোদ্ধাটি এরই মাঝে শের থেকে নিতান্ত বিল্লীতে পরিণত হয়ে গেছেন। অবশ্য ইংরেজিতে দু’টোকেই ‘ক্যাট’ গ্রুপই বলা হয়।
যেভাবে যুবরাজ এই শমচৌকে ধমকেছেন, সেই টেলি-আলাপের পরই একান্তে বিলাপ করতে করতে আত্মহননের মতো তিনি কিছু করলেই বুঝে নিতাম ‘আত্মমর্যাদা’ নামক শব্দটির জাগতিক কিঞ্চিৎ মূল্য এখনও বিরাজমান। কিন্তু হায়রে ক্ষমতার বেলাজা মমতা। প্রায় পুত্র সমান একজনের কাছে ক্ষমতার প্রলোভনে এমন অমর্যাদার, অসম্মানজনক ‘অমৃতবাণী’ শুনেও যেন কর্ণযুগলে মধু বর্ষনের আনন্দ পেয়েছিলেন বীরবিক্রম সাহেব। অবশেষে দ্বিতীয় জুয়াটিতে ‘গো-হাড়া’ হেরে গেলো দে-যু (দেশনেত্রী+যুবরাজ) জননী-ছাওয়াল জুটি। শুরুতে চুপসে গেলো এই জুটি এবং অনুসারীরা। তখন রাজনীতির ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানেনাতো দূরের কথা, যেন-বা মাছ কাকে বলে সেটাই বুঝি বুঝে উঠতে পারছেননা তারা।
এভাবে ২০১৪ সনের অধিকাংশ সময় জুড়ে নিশ্চুপ হয়ে থাকাটা অভিজ্ঞ মহলের কাছে কেমন কেমন যেন লাগলো। এসময়ে ওদের আন্তর্জাতিক মুরুব্বীদের নৃশংস-হার্মাদি পরিকল্পকদের বিশেষ ছক নির্মিত হলো। এবার দান দান তিন দান। জুয়ার ভয়ংকর তৃতীয় দান শুরু হলো। পৃথিবী কোনোদিন কোথাও যা দেখেনি।
২০১৫ সনের ৫ জানুয়ারিকে কেন্দ্র করে এই রোমহর্ষক অভিযান শুরু হলো। দেশনেত্রী বাসা থেকে বেরিয়ে গুলশানের কেন্দ্রীয় কুঠিতে ঠাঁই নিলেন। হুকুম দিলেন অবিরাম অবরোধ অনাদি অনন্তকাল। ক্ষমতার দূর্গের পতন না হওয়া পর্যন্ত স্বীয় বাসভবনে ঢুকবেননাÑ এমনটা শপথ-হুংকার জানালেন লন্ডনী গরমে উত্তপ্ত নেত্রী।
কিন্তু এ কেমন অবরোধ! বাস-ট্রাকের চালককে পুড়িয়ে দাও, যাত্রীদের জ্বালিয়ে দাও, ড্রাইভার-কন্ডাক্টর-হেলপার-যাত্রী-মা ও শিশুকে একত্রে অঙ্গার করে দাও যারা কেউ ক্ষমতার রাজনীতির লোক নয়। তারা উভয়পক্ষকেই ভোট দেয়। নিরীহ পরিচয়ে যারা চিহ্নিত। এমন নির্মম-নিষ্ঠুরতা সকল বিশেষণকে হারিয়ে দেয়। ৯২ দিনের কর্মসূচিতে ওরা ভেবেছিলো দেশের সব কিছু অচল হয়ে পড়বে। বাধ্য হয়েই তখন ক্ষমতা নেবে ঐ সামরিক ওরা। ওতেইতো কেল্লা ফতে হবে নবপর্বে।
কিন্তু হাঃ হলো না। মানুষ অস্তিত্বের স্বার্থে সচল রাখলো জীবন-জীবিকা-অর্থনীতি। এবারও দে-যু আহ্বানে মাঠে নামলোনা তাদের অনুসারীরা। যুদ্ধের অলিখিত নিষ্ঠুরতার ফলাফলে দে-যু বাহিনীর অনেকেই হামলা-মামলা-গুমের শিকারে পরিণত। অনেকে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে গোপন সমঝোতায় ‘নিরাপত্তা’ ক্রয় করেছে। ভয়ে চুপসে গেছে অনেকে। কারাগারে পচে পচে নিঃশেষিত হতে চায়না ধনাঢ্য সফল অনেকেই।
আমাদের পররাষ্ট্র-ডালিং এর হলোটা কী? তিনি বীর তিনি বিক্রম। হঠাৎ বীর এমন ভীরু হয়ে গেলেন কেন? হঠাৎ পরাক্রমশালী বিক্রম এমন বিভ্রমে পড়ে গেলেন কেন? কী হলো? হলোটা কী?
একদিন সেদিন তিনি নিজের পা টুকু নিজেই কেটে ফেলার ‘নাকে খত’ খতটুকু লিখে জানালেন দেশনেত্রীকে। দে-যু নেতৃত্ব যে জিয়ার আদর্শ থেকে দূরে সরে গেছে, সেটা জানালেন বিন¤্রভাবে। রাজনীতি থেকে অবসর নিয়ে তার মনে পড়ে গেছে, তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। অতএব বাকী জীবন তিনি মুক্তিযুদ্ধের আদর্শেই হাবুডুবু খাবেন, এমনটাই জানালেন তার সদ্য-অতীত নেতৃত্বকে।
এমন ঘটনায় মিডিয়া অনেকদিন পর চানাচুর-পিঁয়াজুর সন্ধান পেয়ে গেলো। নানা কথা, নানা গল্প, নানা গুজব, নানা চুটকি। মাদ্রাসা শিক্ষকদের মধ্যে চাঁদাবাজির উৎসে গড়া একটি পত্রিকাতো শমচৌকে ‘দিল্লীর দালাল’ বলে চিহ্নিত করতে চাইলো।
এদিকে দিল্লীর সঙ্গে করলা-তিক্ততার সম্পর্ককে সুন্দরবনের মধুসম্পর্কে পরিণত করার অবিরাম সংযোগ চালাচ্ছে দে-যু প্রতিনিধিরা। দিল্লীর মন পেতে এ ভুবনের সকল কৌশল নাকি প্রয়োগ করা হচ্ছে।
এসব কথার ফাঁকে তৃতীয় জুয়ার ব্যর্থতার অধ্যায় আড়াল করে শুরু হয়েছে চতুর্থ জুয়া। ইতালী এবং জাপানের সঙ্গে ক্ষমতাসীনদের মিতালী ধ্বংস করা শুধু নয়, বাংলাদেশকে পৃথিবীর বড় বড় অর্থনীতির দেশগুলো থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে, ক্ষমতাসীনদের নাকাল করে ক্ষমতার হাল থেকে এক ধাক্কায় সরিয়ে দেবার জন্য দু’জন বিদেশী নাগরিককে খুন করে ফেলা হলো। বৃহৎ, বৃহত্তর এবং বৃহত্তম ‘ভাই’-এর সন্ধান মিলছে ক্রমাগত।
যুদ্ধাপরাধী চক্র এমনি পরিস্থিতির সাথে সুর মিলিয়ে অসুরের কা- ঘটালো পুণরায় ভয়াবহ রক্তাক্ত আঘাতে। দু’জন পালের গোদার সর্বোচ্চ বিচারের রায়ের শেষপর্বে এমনি আঘাত এলো বেপরোয়া হিংস্রতায়। দেশনেত্রী বললেন ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ থেকে এমনটা হচ্ছে।
তা দেশনেত্রী, অন্তিমে দু’টি কথা: ১। বঙ্গবন্ধু সপরিবারে শাহাদাত বরণ করেছেন ১৯৭৫ সনে। এর মাঝে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন আপনি। কী বিচার করেছিলেন? ২০০৪ সনের ২১ আগস্ট হামলার বিচার? ২। বঙ্গবন্ধু হত্যার কত বছর পর যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হলো। বিচারহীনতার বড় অপরাধ কার? এখন ‘বিচার’ শুরু হয়েছে, দু’টি রায় কার্যকর হয়েছে, অপেক্ষমান কয়েকটি। যেন এখানেও ‘বিচারহীনতা’ পুনঃ জয়লাভ করে সেজন্য জোট বেঁধে এমন বক্তব্য শানাচ্ছেন কেমন করে?
(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)







