২৭০ রান নিয়ে শুরু করা নাসির হোসেন চতুর্থ দিনও খেলছিলেন দেশেশুনে। ডট বল দেয়ার ফাঁকে ফাঁকে মারছিলেন বাউন্ডারি। চার বাউন্ডারিতে সহজেই পৌঁছে গেলেন নাইনটিজে। ট্রিপল সেঞ্চুরি উদযাপনের অপেক্ষায় গোটা টিম ম্যানেজম্যান্ট। এমন সময়ে কী ভুলটাই না করে বসলেন। প্রথম বিভাগ থেকে উঠে আসা ‘অখ্যাত’ লিংকনের বলে ফজলে রাব্বির হাতে তুলে দিলেন ক্যাচ! রংপুরের ক্রিকেটার নাসিরকে থামতে হল ২৯৫ রানে। সঙ্গে সঙ্গেই ইনিংস ঘোষণা করল বরিশাল।
মাত্র ৫ রানের জন্য দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নাম লেখাতে পারলেন না নাসির। তীরে এসে তরী না ডুবলে নাসির হতেন ১৯ বছর ধরে বাংলাদেশে চলা প্রথম শ্রেনির ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান।
জাতীয় ক্রিকেট লিগ চালু হয় ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে। এই ১৮ বছরে ট্রিপল সেঞ্চুরি হয়েছে মাত্র একটি। ২০০৮ সালে সিলেটের বিপক্ষে বরিশালের হয়ে রকিবুল হাসান করেছিলেন ৩১৩। তার রেকর্ডটি অধরাই থাকল।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বরিশালের বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন নাসির। ১০১ রান নিয়ে শুরু করে তৃতীয় দিন শেষ করেন ২৭০ রানে অপরাজিত থেকে। চতুর্থ ও শেষ দিনের সকালে ৪৩ বল মোকাবেলা করে যোগ করেন ২৫ রান।
২৯৫ রানের ইনিংস সাজাতে নাসির মেরেছেন ৩২টি চার ও তিনটি ছক্কা। ৫১০ বল মোকাবেলা করেছেন ৬০৩ মিনিট উইকেটে কাটিয়ে।
তৃতীয় দিন আরিফুল হক আউট হন ১৬২ রানের ইনিংস খেলে। নাসির ও আরিফুলের অসাধারণ ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেট হারিয়ে ৬১৪ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে রংপুর।
প্রথম ইনিংসে ৩৩৫ রান করেছিল বরিশাল। ২৭৯ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছে তারা।








