এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সরকার এবং হাবের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ করেছে কোটাবঞ্চিত হজ এজেন্টদের সংগঠন হাব সমন্বয় পরিষদ। আর হজ ব্যবস্থপনা নিয়ে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।
বাংলাদেশের কোটার চেয়ে হজযাত্রীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় হজে যাওয়া নিয়ে কোটাবঞ্চিত হজ এজেন্টরা তাদের দাবি-দাওয়া জানাতে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন হয়। তাতেই সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন হজ এজেন্টরা।
হাব সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক রুহুল আমিন মিন্টু বলেন, যে আইডির মাধ্যমে রেজিষ্ট্রার করার কথা ছিল এবং যে সিরিয়ালে দেওয়ার কথা ছিল সরকার তার কিছুই তোয়াক্কা না করে যেকোনো লোককে প্রাজ্ঞমান দিয়ে দিচ্ছে আমরা এটার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা চাই এটার সাথে যারা জড়িত তাদের বিচার হোক।
সরাসরি হাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ হজ এজেন্টদের পাল্টা এ সংগঠনের। এর সদস্য সচিব রেজাউল করিম উজ্জ্বল বলেন, ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে হাবেরও তিনজন রয়েছে। যারা আমাদের এই এজেন্সির এবং হজযাত্রীদের সমস্যার ব্যাপারে কোনোক্রমেই আন্তরিক নয়। আমরা তাদের সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠকও করেছি কিন্তু তারা কোনো সুরাহার দিতে পারে নাই। তারা যতক্ষণ না পদত্যাগ না করবে ততক্ষণ তাদের অর্থ-বাণিজ্যের বিষয়টি পরিস্কার।
ওই সংবাদ সম্মেলনের ঘন্টা খানেক পরেই মন্ত্রণালয়ে ধর্মমন্ত্রীর পাল্টা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।
মন্ত্রী বলেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রশাসনিকভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, চলতি বছর সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হজ পালনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল আনুষ্ঠানিকতা সুচারুভাবে এগিয়ে চলেছে। একটি চিহ্নিত কুচক্রী মহল হজযাত্রীদের হয়রানি, অর্থ আত্মসাৎ করা, প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করা ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের সুনাম নষ্টের জন্য বিভিন্ন মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রদান ও গুজব ছড়িয়ে জাতীয় অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ১ হাজার ৭শ’ আটান্ন জনের হজে যাওয়ার কথা রয়েছে।







