তালিকার বাইরে থাকা অতিরিক্ত ৩০ হাজার হজযাত্রী এ বছর হজে যেতে পারছেন না। ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, একটি কমিটি তাদের জন্য কাজ করলেও বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত, বঞ্চিত এসব হজযাত্রীদের বিষয়টি আগামী বছর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখা হবে।
ই-হজ সিস্টেম এবং আইটি জটিলতায় হজ ভিসায় ধীর গতির অভিযোগও করেছেন অনেকে।
এ বছর বাংলাদেশের জন্য সৌদি সরকারের বেঁধে দেয়া ১ লাখ ১ হাজার ৭শ’ ৫৮ জনের বাইরেও অতিরিক্ত প্রায় ৩০ হাজার জন হজে যাওয়ার জন্য ফি জমা দিয়ে আবেদন করেছিলেন।
কোটার বাইরের এ হজযাত্রী এবং তাদের এজেন্টরা হজযাত্রা নিশ্চিত করতে প্রতিদিন হজ অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে ছুটছেন। তারপরও কোনো আশার আলো দেখা যাচ্ছে না বলে হতাশা প্রকাশ করেন এক হজ এজেন্ট।
তাদের মধ্যে অন্তত কিছু সংখ্যককে হজে পাঠানো যায় কি না, সে জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে একটি কমিটি কাজ করছে।
সংসদীয় কমিটির হাবের প্রতিনিধি আফতাব উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, যাচাই বাছাই শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছেন অচিরেই একটা সমাধান হতে পারে।
কোটা বঞ্চিত হাজযাত্রীদের পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে কাজ চলছে বলে জানান সংসদীয় কমিটির হজ এজেন্টদের প্রতিনিধি আব্দুল মতিন ভূঁইয়া।
ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, বিষয়টি পুরোপুরি সৌদি সরকারের হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে তেমন কিছু করার নেই।
ধর্মসচিব চৌধুরী মো. বাবুল হাসান বলেন, তালিকার বাইরের হজযাত্রীদের এ বছরই রেজিস্ট্রেশন করে রাখা হচ্ছে যেন পরের বার তারা অগ্রাধিকার পান।
আগামী বছরের জন্য এ বছরই রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তবে যাদের হজে যাওয়া নিশ্চিত তাদের ভিসার ডাটা এন্ট্রিতে ধীর গতির অভিযোগ রয়েছে।
সৌদি আরব তাদের ভিসা লজমেন্টের ব্যবস্থা নবায়ন করায় তাদের দিক থেকে ভিসা নিয়ে কিছুটা সমস্যা হচ্ছিলো।
তবে সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর তারা সমস্যার সমাধান করেছে বলে জানিয়েছেন বিজনেস অটোমেশন লিমিটেডের ইনচার্জ কবির আল মামুন ।
বাংলাদেশ থেকে এ বছরের হজের প্রথম ফ্লাইট রোববার সকালে।






