তালিকার বাইরে থাকা হজযাত্রী এবং এজেন্টদের অভিযোগ হজের নামে মানব পাচারকারী চক্র আগেই ডাটা এন্ট্রি করে ফেলেছে, যে কারণে প্রকৃত হজযাত্রীরা এবছর হজে যাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মানব পাচারকারী চক্রের তৎপরতার কথা স্বীকার করে ধর্মমন্ত্রণালয় বলছে হজের নামে মানব পাচার ঠেকাতে কাজ করছে সরকার।
মানব পাচারের অভিযোগ এনে এবছর পবিত্র রমজানে বাংলাদেশ থেকে কোনো ওমরা ভিসা দেয়নি সৌদি সরকার। হজ এজেন্ট এবং কোটা বঞ্চিত হজযাত্রীদের অভিযোগ, হজে ওই মানব পাচারকারী চক্রের তৎপরতার কারণে পবিত্র কাবা ঘরে যাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেকেই।
হজের আড়ালে মানবপাচারকারীদের দৌরাত্ম তুলে ধরে এক হজ এজেন্ট জানান,‘গত ওমরাতে ১২ হাজার হজযাত্রী সৌদি গিয়ে আর ফেরেননি। এবারের হজেও এমনটা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় নির্ধারিত সময়ের আগেই হজযাত্রীদের ডাটা এন্ট্রির সুযোগ করে দেয়ায় বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ নিচ্ছে পাচারকারীরা।
ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন। ধর্মসচিব চৌধুরী মো: বাবুল হাসান জানান, পূর্বের ৩ শতাংশের তুলনায় মানবপাচার ১ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। ধর্মেও নামে হজের নামে একটি চক্র মানবপাচারে জড়িত আছে। আসলে তারা হজযাত্রীদের সাথে প্রতারণা করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির অধীনে একটি উপ-কমিটি কাজ করলেও কোটা বঞ্চিত হজযাত্রীদের এবছর হজে যাওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। তবে মন্ত্রণালয় বলছে কোটা বঞ্চিতদের ব্যাপারে আগামী বছর অগ্রঅধিকার দেয়া হবে।







