সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন জরুরী স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবেলাসহ স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের প্রশংসা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।
মালদ্বীপে চলমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ৫ দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলনে বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার মহাসচিব ড. টেড্রস আধানম ঘেব্রিয়েসাস এ প্রশংসা করেন। ৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ সম্মেলন চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেড্রস আধানম ঘেব্রিয়েসাস, সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিংহ ও বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রীগণ এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাতের অর্জন, কর্ম পরিকল্পনা এবং কৌশলসমূহ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগের হার বেশি। শতকরা ৬০ ভাগ মৃত্যু ঘটে থাকে অসংক্রামক রোগে। এ বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা এবং কর্মসূচিও তিনি তুলে ধরেন।
সম্মেলনে বাংলাদেশ অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের সাথে মালদ্বীপ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে। মালদ্বীপ ঘোষণার প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা সৃষ্টি’।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালে ঘোষণায় প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব তুলে ধরে উপযুক্ত মানের স্বাস্থ্য সেবা অবকাঠামো নির্মাণ, স্বাস্থ্য জনবলের প্রশিক্ষণ, ওষুধ সরবরাহ, রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সম্মেলনের মূল কর্মসূচীগুলোতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধান এবং আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পার্শ্বসভায় মিলিত হন এবং দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।
তিনি গ্লোবাল ফান্ডের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া ও এইচআইভি বা এইডস নিয়ন্ত্রণে গ্লোবাল ফান্ডের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।
গ্লোবাল ফান্ডের প্রতিনিধিরা জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে গ্লোবাল ফান্ডের সহযোগিতামূলক কর্মসূচি ভালোভাবে চলছে এবং ফান্ড এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চায়।








