দুর্দান্ত গতি, বল দখলের দক্ষতা, গোলের সুযোগ তৈরির সৃজনশীলতা; লুকা মদ্রিচকে এমনিতেই দলের প্রাণভোমড়া বানিয়েছে। তার উপর নেতৃত্বের বাহুবন্ধনীও এই মিডফিল্ডারেরই। অফুরান এই প্রাণশক্তির প্রেরণা মদ্রিচ পান দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকেই।
নিজেকে বিশ্বমানের হিসেবে তৈরি করতে ২৭ বছর আগে হওয়া ক্রোয়েশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধই শক্তি জুগিয়েছে বলে জানাচ্ছেন মদ্রিচ, ‘১৯৯১ সালে আমার মাত্র ৬ বছর। ওই সময় সার্বিয়ান আর্মি আমাদের গ্রামে হামলা চালায়। চোখের সামনেই আর্মিদের হাতে দাদার মৃত্যু হয়। সেই যুদ্ধই আমাকে শক্তি জুগিয়েছে।’
২৭ বছর আগে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা পাওয়া দেশটির খেলোয়াড়দের সামনে এখন আরেকটি যুদ্ধ- ‘বিশ্বকাপ জয়ের যুদ্ধ’। যে যুদ্ধের অন্যতম সেনানী লুকা মদ্রিচই। তার অধীনেই বিশ্বকাপে দাপট দেখাচ্ছেন রাকিটিচ, মানজুকিচ, পেরিসিচ ও লভরেনরা।
ক্রোয়েশিয়ার জনসংখ্যা মোটে ৪০ লাখ। যদি এই দেশটি চ্যাম্পিয়ন হয় তাহলে তারা হবে উরুগুয়ের পর বিশ্বের আরেকটি কম জনসংখ্যার দেশ, যারা বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরবে।
রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় মস্কোর লুঝনিকিতে ফ্রান্সের বিপক্ষে শিরোপা রোমাঞ্চে নামবে ক্রোয়েটরা।








