জন্মদিনের উৎসবে দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদরা বলেছেন স্বাধীনতার পক্ষে থেকে সবসময় গণতন্ত্রের চর্চা করেছে চ্যানেল আই। অন্য গণমাধ্যমগুলোও এমন ভূমিকা রাখবে প্রত্যাশা তাদের। বলেছেন, লাল-সবুজের চেতনা ধারণ করা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি চ্যানেল আই এভাবেই দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে।
১৮ বছরে দেশের প্রথম ডিজিটাল টেলিভিশন, চ্যানেল আই। এই শুভক্ষণে চ্যানেল আই পরিবারের সঙ্গে শরীক হোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও। চ্যানেল আইয়ের এই গর্বের দিনে তারাও উচ্ছ্বসিত।
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, যারা চ্যানেল আইয়ের উদ্যোক্তা সকলেই স্বাধীনতার চেতনা এবং মূল্যবোধে বিশ্বাসী। এই স্বাধীনতা চেতনা ও মূল্যবোধ ধারণ করে হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রিয় স্লোগানটি নিয়ে চ্যানেল আই আগামীদিনগুলো এগিয়ে যাবে এটিই আমাদের প্রত্যাশা। সাবেক চিফ হুইপ আব্দুর শহীদ বলেন, চ্যানেল আই মিডিয়া হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সাবেক প্রেস সচিব আবুল কামাল আজাদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার লক্ষ্যে অসম্প্রদায়িক শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে ভূমিকা তার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে চ্যানেল আই। প্রধানমন্ত্রী উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন বলেন, চ্যানেল আইয়ের যে স্লোগান হৃদয়ে বাংলাদেশ। চ্যানেল বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করছে।
দেশের উন্নয়নে প্রথম সারি থেকেই নেতৃত্ব চ্যানেল আই-এর, এমন মন্তব্য করে রাজনীতিবিদরা আশা করেন অন্য গণমাধ্যমগুলোর কাছেও চ্যানেল আই অনুসরনীয়। গণতন্ত্র বিকাশে চ্যানেল আইয়ের এমন ভূমিকাই দেখতে চান তারা। তাদের প্রত্যাশা এভাবেই যুগের পর যুগ মানুষের হৃদয়ে থাকবে চ্যানেল আই।







