চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

স্বাধীনতার চেতনাঃ পক্ষ-বিপক্ষের কড়চা

সাজ্জাদ আলীসাজ্জাদ আলী
১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ ১৭, ডিসেম্বর ২০১৫
মতামত
A A

চেতনা শব্দটির আভিধানিক অর্থ চৈতন্য, হুঁশ, জ্ঞান বা জাগরিত অবস্থা ইত্যাদি। এই শব্দটির আগে যখন স্বাধীনতা বা মুক্তিযুদ্ধ যুক্ত হয় তখন শব্দগুচ্ছ এক বিশেষ ব্যঞ্জনা লাভ করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধীদের কাছে ‘স্বাধীনতার চেতনা’ বা ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’, এ শব্দগুলো একেবারেই নাপাক।

এ পঙ্ক্তিগুলো দমিয়ে রাখতে প্রতিনিয়ত ওরা আপ্রাণ চেষ্টা করছে। উপায় থাকলে বাংলা অভিধান থেকে এ শব্দগুলো ওরা মুছেই দিত। বিজয় দিবসের উষালগ্নে স্বাধীনতার চেতনার পক্ষের এবং বিপক্ষের ধ্বজাধারীদের দুএকখানি কীর্তিকাহিনী নিয়ে আজকের বয়ান।

এ বিষয়ে আমার ব্যক্তি অভিজ্ঞতা এবং পর্যবেক্ষণ থেকেই বলবো। সংগত কারণেই নিজস্ব ভাবনার প্রতিফলন ঘটবে, সংক্ষুব্ধরা মার্জনা করবেন। অত্যন্ত বেদনার সাথে লক্ষ্য করেছি যে, স্বাধীনতার চেতনার পক্ষের দলটি বহুধা বিভক্ত এবং চেতনার বিষয়টি বিশেষ বুঝতে চান না বা ক্ষেত্র বিশেষে বোঝেনও না।

উপরোন্তু সমমনাদের সাথেও এরা পরস্পরিক দ্বন্দ্বে লিপ্ত। আর বিপক্ষ দল? ওরা খুব ভাল করে বোঝে তাদের অবস্থান, জানে তাদের করণীয় এবং এ বিষয়ে ওরা সকলে একাট্টা। বজ্রকঠিন ওদের ঐক্য, ভাঙ্গবে তবু মচকাবে না। স্বাধীনতার চেতনার বিপক্ষের এই শক্তি সরবে বা নীরবে, দেশে কিংবা প্রবাসে, তাদের কাজ করে চলেছে।

প্রথমেই স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তির কাজ কর্মের দুএকটা নমুনা বলি। বছরদুয়েক আগে দূর সম্পর্কের এক মামা বাংলাদেশ থেকে ফোন করে বললেন, তাঁর একমাত্র ছেলেকে কানাডা পাঠাচ্ছেন। দালালকে প্রায় দশ লাখ টাকা দিয়ে ছেলের কানাডা আসার ভিসা জোগাড় হয়েছে। ছেলেটি জামাতি রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে পড়ায় বাবা তাকে দেশ ছাড়া করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মামা বললেন, ও গিয়ে আপাতত তোর ওখানে উঠুক, তারপরে তুই দেখেশুনে ওর থাকার বন্দোবস্ত করে দিস। আমি তৎক্ষণাৎ সম্মতি জানিয়ে বললাম, ওকে টরন্টো এয়ারপোর্টে পৌঁছে আমাকে ফোন করতে বলবেন, আমি গিয়ে নিয়ে আসবো।

তো যেদিন মামাতো ভাইটির এসে পৌঁছানোর কথা সেদিন তার ফোন পেলাম না। পেলাম পরের দিন সকালে। ভাইয়া আমি গত সন্ধ্যায় এসেছি। বললাম তুই কোথায়? হোটেলে উঠলি নাকি? তোর না বাসায় উঠার কথা? ও বললো না ভাইয়া হোটেলে না, টরন্টো ডাউন টাউনে আমার বন্ধুদের বাসায় উঠেছি। ‘বন্ধুদের বাসা’, -মানেটা কি? টরন্টোতে তোর বন্ধু এলো কোথা থেকে? এমন আচমকা প্রশ্নে ও খানিকটা ঘাবড়ে গিয়ে মুখ ফসকে বলে ফেললো, না ভাইয়া বন্ধু মানে ওই সাংগঠনিক বন্ধুবান্ধব আর কি।

Reneta

সাংগঠনিক বন্ধু! অজানা আশংকায় আমার শিরদাঁড়া দিয়ে যেন শীতল রক্ত বয়ে গেল। তাহলে কি মামার চেষ্টা বৃথা, টাকাটা জলে গেল? ছেলেটা কি এখানেও তার জামাতি সংগীদের সাথে ভিড়ে গেল নাকি? ফোনে কথা বাড়ালাম না, বললাম ঠিকানাটা বল, আমি আসছি। টরন্টো ডাউন টাউনে সরকারি হাউজিং এর একটি সুউচ্চ ভবনের নিচ তলায় তিন বেডরুমের একটি এপার্টমেন্ট এটি। দরজায় নক করতেই কম বয়সি এক ছোকড়া দরজা খুলে একেবারে শুদ্ধ কারিয়ানী উচ্চারণে বললো, আসসালামুওয়ালাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ, কাকে চাই? ভেতরে ঢুকে দেখি বসবার ঘরে আমার ভাইটিকে ঘিরে ৭/৮জন বসা।

আমাকে দেখে উঠে এসে জড়িয়ে ধরলো। উপস্থিত সকলের সাথে প্রাথমিক সৌজন্য আলাপ সেরে ওকে বললাম, স্যুটকেস গুছিয়ে গাড়িতে উঠ, বাসায় চল। ও বললো না ভাইয়া এখানে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না, আমি এখানেই থাকবো। তার কন্ঠস্বরের দৃঢ়তা মুহূর্তেই আমাকে বলে দিলো যে সে এখানেই থাকবে। আমারতো মাথায় বাজ, মামাকে জবাব দেবো কি? আমার বাসা থাকতে তার ছেলেটা কিনা টরন্টোতে অন্য জায়গায় উঠেছে! অনেক অনুরোধ আর জোরাজুরিতেও কোন কাজ হলো না, ভাইটি ওই বাসায় থাকার সিদ্ধান্তে অটল রইলো।

অগত্যা ফিরে এলাম আমি। ও মাঝেমধ্যে বাসায় বেড়াতে আসে, আর আমি ডাউনটাউনের দিকে গেলেই ওকে দেখে আসি। মাসদুয়েকের মধ্যে ব্যাপারটা আমার কাছে পরিস্কার হলো। আসলে ঐ বাসাটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির টরন্টোস্থ প্রাথমিক আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। জামায়াতের নেতা-কর্মী বা সমমনা রাজনৈতিক চেতনাধারী যে কেউ কানাডার এই অঞ্চলে এলে, ঐ বাসায় উঠে। এখানে বিনামূল্যে তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।

এছাড়াও এ দেশে বৈধ হওয়ার আইনি পরামর্শ, চাকুরি পাওয়ার ব্যবস্থা ইত্যাদি সব বিষয় জামায়াতে ইসলামি দলীয়ভাবে তত্বাবধান করে থাকে। তো প্রশ্ন হলো, স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির ধ্বজা ধরে যাঁরা কানাডায় দীর্ঘদিন আছেন, নিজ পক্ষভুক্ত কারো জন্য এমনতর সাংগঠনিক উদ্যোগ আপনাদের আছে কি? এই চেতনাবিরোধীদের ‘চেতনা’ কতটা টনটনে তার আরেকটা নমুনা বলি। ষাটের কোঠায় বয়স হবে আমার দূর সম্পর্কের আত্মীয়া, আমাকে তুমি সম্বোধন করেন।

উচ্চশিক্ষিতা এই মহিলা কানাডার ফেডারেল সরকারে কর্মচারী, ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছর কানাডায় আছেন। আত্মীয়তার সূত্রে আমার পারিবারিক পর্যায়ে যাতায়াত আছে। টরন্টো থেকে বাংলা ভাষায় প্রচারিত একটি টেলিভিশন প্রোডাকশন কোম্পানির সাথে আমার সম্পৃক্ততার গভীরতা তিনি বিশেষভাবে জ্ঞাত। তাঁর বাড়িতে ডিনার টেবিলে একথা সেকথার ফাঁকে বললেন, গত শনিবারে বাংলা টিভি’র অনুষ্ঠান দেখছিলাম।

এই যে জাগরণের গান প্রচারের নামে তোমরা যা করছো এ সব অর্থহীন কাজ বন্ধ করো, আসল কাজে মন দাও। বললাম, ফুফু কোন গানের কথা বলছেন? আরে ঐ যে তোমাদের ঐ সব গান, ‘তীর হারা ঢেউয়ের সাগর’, জয় বাংলা বাংলার জয়, সোনায় মোড়ানো বাংলা মোদের শ্মশান করেছে কে’, -ওই সব গানের কথা বলছিলাম আর কি। ওগুলো গেয়ে গেয়ে জাতিকে আর কতকাল তোমরা দুভাগ করে রাখবে? সকলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে কাজ করো, জাগরণ বাদ দিয়ে দেশ গড়ার গান গাও।

মুখভর্তি খাবার আমার, কিন্তু চিবুতে পারছি না, তাকিয়ে আছি মহিলার দিকে! বলে কি, ওসব গান অর্থহীন? বাঙ্গালী ওগুলো আর গাইবে না? মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করবে না? প্রসংগত উল্লেখ্য আমার এই আত্মীয়ার পিতা পাকিস্তানপন্থী ছিলেন। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের পুরো ন’মাস পাকিস্তান সরকারের চাকুরি করেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও চাকুরিতে স্বপদে বহাল ছিলেন এবং তরতর করে প্রোমোশনও পেয়েছেন। আজ সেই পাকি চাকরের কন্যা আমাকে দেশ গড়ার ছবক দিচ্ছে! যে গান গেয়ে দেশটি স্বাধীন হলো, সে গান নাকি আজ আর দেশ গড়ার গান নয়! তাকিয়ে দেখুন একটিবার বন্ধুরা, স্বাধীনতাবিরোধী এবং তাদের বংশধরদের চেতনা কত শক্ত! জাগরণের গানগুলোও ওরা আমাদের গাইতে দিতে চায় না।

তো এবারে স্বাধীনতার চেতনাধারীদের ‘চেতনা’র নমুনা একখানা বলি। আগেই বলেছি এরা বহুধা বিভক্ত। আওয়ামী চেতনা, বাম চেতনা, মুজিবের চেতনা, জিয়ার চেতনা, ভাসানীর চেতনা, -চেতনার যেন শেষ নেই! পথভ্রষ্ট একশ্রেনী আজকাল দেখছি তারেকে’র চেতনার কথাও বলছে। রাজনীতির অনেক বই-পুস্তক পড়া পণ্ডিত শ্রেনীর বামেরা আবার ইদানিং আওয়ামী ও মুজিবী চেতনার বিপরীতে তাজউদ্দিনের চেতনা আবিস্কার করেছে। এই সব নানামুখি চেতনার চাপে যে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাটাই বেদনায় কাতরাচ্ছে সেদিকে কারোরই খেয়াল নেই।

মোদ্দাকথা হলো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বিভাজিত, বহু দল-উপদলে বিভক্ত এরা। এই উপদলীয়রা নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি করে প্রতিনিয়ত প্রতিপক্ষের মাঠ ঝাড়– দিচ্ছে। দুবছর আগের একটি ঘটনা বলি। টরন্টো শহরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারি দাপুটে এক শিক্ষাবিদ(!)ও কমিউনিটি নেতাকে বিজয় দিবস উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাতে ফোন করেছি। টরেন্টো’র বাসাবাড়ির বেসমেন্টের অনুষ্ঠানাদি থেকে শুরু করে ছোট ও মাঝারী সাইজের মেলা ও ফেষ্টিভেলমার্কা সকল অনুষ্ঠানাদিতে তাকে সর্বদাই মাইকে কথা বলতে দেখা যায়।

ফোনালাপের শুরুতেই সোজাসাপ্টা জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি ছাড়া অনুষ্ঠানে আর কে কে বক্তব্য রাখবেন। মনে মনে প্রমাদ গুনলাম। আমিতো তাঁকে বক্তা বিবেচনায় ফোন করি নি, করেছি দর্শক হিসেবে আমন্ত্রণ জানাতে। তাঁর কথার সুরে মুহূর্তেই এটা আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠলো যে, বক্তব্য রাখতে না দিলে তিনি অনুষ্ঠানে আসবেন না। তবে তাতে আমাদের অনুষ্ঠানের কোন ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না। অমন অনেকেই আসবেন না, আবার আসবেনও অনেকেই। কিন্তু এই অগ্রজ যেন ক্ষুন্ন না হন সেদিকে লক্ষ্য রাখতেই আমি সংক্ষিপ্ত আকারে অনুষ্ঠানটির চরিত্র বর্ণনা করলাম।

বললাম যে, অনুষ্ঠানটিতে সেই অর্থে কোন বক্তা নেই। দুজন মুক্তিযোদ্ধা তাঁদের সম্মুখ সমরের অভিজ্ঞতা শ্রোতাদের বলবেন। মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত ২০ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে, আর স্থানীয় শিল্পীরা জাগরণের ছয়টি সম্মেলক গান গাইবেন। আমার আন্দাজমতই তিনি অপারগতা জানালেন। কারণ হিসেবে বললেন যে, আমাদের অনুষ্ঠানের ঠিক পরের দিনই বিজয় দিবসেরই অন্য একটি অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্য রাখতে হবে।

সে প্রস্তুতি নিতে আগের দিন তাঁর কিছু বিশ্রাম প্রয়োজন। তিনি আমাদের অনুষ্ঠানে আসতে পারবেন না। আমি আরো একবার বিজয়ের অনুষ্ঠান বিবেচনায় তাঁকে আসতে অনুরোধ করলাম। কিন্তু সেই একই জবাব। অগত্যা কি আর করা, ধন্যবাদ বলে ফোন রাখলাম। কিন্তু পরক্ষণেই মাথায় একটা দুষ্টু বুদ্ধি খেললো। ভাবলাম, দেখিনা অগ্রজকে একটা টোকা দিয়ে, টুংটাং করে কিনা! আবার তাঁকে ফোন দিলাম, বললাম ভাই সাহেব আরেকটু বিরক্ত করি। আজ রাতে অনুষ্ঠানের নীতি নির্ধারকদের সাথে আমার বৈঠক আছে। বলুন দেখি যদি আপনাকে অনুষ্ঠানের একজন বক্তা রাখা হয়, তাহলে কি আমাদের জন্য আপনি সময় বের করতে পারবেন?

কয়েক সেকেন্ড সময় নিলেন। তারপরেই টরন্টোতে স্বাধীনতার পক্ষে এ যাবৎকালে তাঁর বিশাল কর্মযজ্ঞের এক নাতিদীর্ঘ মর্মস্পর্শী বর্ণনা দিলেন। লেখনি থেকে শুরু করে বক্তৃতা, বিবৃতি, রাস্তায় পিকেটিং পর্যন্ত, -কি নেই সে তালিকায়? নীরব শ্রোতা আমি মন দিয়ে শুনছি। শুনতে শুনতে এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল যেন, এই ত্যাগী মানুষটি টরন্টোতে বসে স্বাধীনতার চেতনার জন্য এতটা ত্যাগ স্বীকার করছেন বলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতাটি আজও কোন মতে টিমটিম করে জ্বলছে! নইলে কি যে হতো আল্লাহই মালুম! অবশেষে এই ত্যাগী পুরুষ আমাদের অনুষ্ঠানটির গুরুত্ব অনুধাবন করলেন।

বললেন, মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র দেখাচ্ছেন, জাগরণের গান করছেন, মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধস্মৃতি চারণ করবেন, -এমন অনুষ্ঠানে দুটো কথা বলার সুযোগ হাত ছাড়া করবো না, আমি যাবো। চেতনাটা এতক্ষণে বোঝা গেল! কথা বলতে না দিলে তিনি অনুষ্ঠানে আসবেন না, আর বক্তা বানালেই অনুষ্ঠান মহৎ! ততক্ষণে ঘৃণায় আমার সমস্ত মন প্রাণ ভরে উঠেছে। কিন্তু নিজেকে সামলে নিয়ে অগ্রজকে ধন্যবাদ বলে ফোন রাখলাম।

তো চেতনাধারীদের অবস্থাতো মোটাদাগে এমনই! আমি করেছি, আমি করবো, শুধু আমি আমিতে ভরা! সামনের সারিতে চেয়ার চাই, মঞ্চে আসন চাই, কথা বলার জন্য মাইক চাই! আহারে আমাদের কাঙ্গালেরা, বড়ই মায়া হয় তোমাদের জন্য! অথচ দেখুন বন্ধুরা, চেতনা বিরোধীদের দিকে তাকিয়ে দেখুন। স্বাধীনতার বিরোধীতা করার জন্য তাদের মাইক লাগে না, মঞ্চ লাগেনা, সভা-সমাবেশ লাগে না, হাতলওয়ালা চেয়ারে বসতেও হয় না।

যে যেখানে আছে সেখান থেকেই মুক্ত চিন্তাকে পিষে মারছে, আধুনিক মননের মানুষগুলোকে চাপাতি দিয়ে কোপাচ্ছে, জাগরণের গান গাওয়া বন্ধ করতে চাইছে। কত সচেতন ও করিৎকর্মা পদক্ষেপ ওদের। চেতনা বিষয়টি বিমূর্ত, একে ছোঁয়া যায় না, দেখাও যায় না। সুনির্দিষ্ট কোন বিষয়ে ব্যক্তির আচরণ, দায়বোধ, তার শিক্ষা, সাংস্কৃতিক উৎকর্ষতা, রুচি এবং মননশীলতায় ‘চেতনা’ মূর্তিমান হয়ে উঠে।

আবার উদ্ভাসিত সেই মূর্তিটিও কল্পিত, ব্যক্তিভেদে তা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রকাশিত হয়। এ বড়ই জটিল ও তর্কপূর্ণ বিষয়। স্বাধীনতার পক্ষের পণ্ডিতদের মধ্যে ‘চেতনা’র স্বরূপটি নিয়ে ব্যাপক মতভিন্নতা রয়েছে। আর এ ভিন্নতা দিন দিন বাড়ছেই। কিন্তু প্রতিপক্ষের কোন দোটানা নেই, ওরা একাট্টা।

চাপাতির এক কোপেই সব খেলা সাঙ্গ করে দেবে ওরা! আজ এখানেই শেষ করতে হবে, লেখার কলেবর আর বাড়ালে এটি আর ছাপা হবে না। তো স্বাধীনতার পক্ষের চেতনাওয়ালাদের একটি পুরোনো প্রবাদ বলে আজ ইতি টানি, -যে শুনে শেখে সে নরোত্তম, যে দেখে শেখে সে নরমধ্যম, আর যে ঠেকে শেখে সে নরাধম।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: স্বাধীনতা
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

সিটি ম্যাচে বোর্নমাউথের সবচেয়ে বড় সমর্থক আর্সেনাল কোচ

মে ১৯, ২০২৬

শেষদিনে গড়াল সিলেট টেস্ট: বাংলাদেশের চাই ৩ উইকেট, পাকিস্তানের ১২১ রান

মে ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হাম প্রাদুর্ভাবে শিশুর মৃত্যুতে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

মে ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

মে ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘ইতিবাচক সংবাদ’ বর্জনের ঘোষণা

মে ১৯, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT