উইকেটে ঘাস ছিল। তাই টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাট করতে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। এমন উইকেটে স্পিনারদের জন্য খুব বেশি কিছু থাকে না। অথচ বাংলাদেশ স্পিনেই বেশি ভুগেছে। সিরিজ শুরুর আগে কিউইরা হুঙ্কার দিয়েছিলেন, স্পিন দিয়েই বাংলাদেশকে আটকাবেন। শেষ পর্যন্ত কিন্তু সেটাই হলো। ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৭ রান তুলতে পেরেছেন তামিম-সৌম্যরা।
বাঁহাতি স্পিনার স্যান্টনার ১০ ওভারে মাত্র ৩৭ রান খরচ করে এক উইকেট নিয়েছেন। লেগব্রেক বোলার ইশ সোধি ৪০ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। এই দুই স্পিনারই প্রথমে ব্যক্তিগত দশ ওভারের কোটা শেষ করেন।
তাদের পাশাপাশি পেসাররাও বাংলাদেশকে বেশ ভুগিয়েছেন। মিডিয়াম পেসার হামিশ বেননেট ১০ ওভার বল করে ৩১ রান খরচ করে ৩ উইকেট নিয়েছেন।
বাংলাদেশের শুরুটা দারুণ হয়েছিল। উদ্বোধনীতে ৭২ রান আসে। রানরেট তখন পাঁচের কাছাকাছি। ১৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে নিশাম অফস্ট্যাম্পের বাইরে বাউন্সার দেন। তামিম পয়েন্টের উপর দিয়ে উড়িয়ে মারতে যান। ধরা পড়েন কাভার অঞ্চলে সীমানার কাছে। ফেরার আগে ৪২ বলে ২৩ করে যান।
এরপর স্পিন বলে কাটা পড়েন সাব্বির (১)। স্যান্টনারের ফ্লাইটেড ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ফিরে যান।
পেসিং উইকেটে সৌম্য এদিন নিজের দক্ষতার প্রমাণ রাখেন। কিন্তু তাকেও সেঞ্চুরির আগে ফিরতে হয় ওই স্পিনের ফাঁদে পড়ে। যাওয়ার আগে করেন ৬১। বল খেলেছেন ৬৫টি। ২৫তম ওভারের পঞ্চম বলে ইশ সোধিকে সুইপ করতে যেয়ে শর্ট-মিড উইকেটে ধরা পড়তে হয় তাকে।
সাকিবও (৬) বেশি কিছু করতে পারেননি। স্পিনার সোধির বলে ওয়াইড মিডঅফে নিশামের দারুণ ক্যাচে আটকা পড়েন। স্পিনাররা এভাবে বাংলাদেশের ইনিংসকে দুর্বল করে দেন।
পারিবারিক অস্থিরতার ভেতর মুশফিক দারুণ খেলেছেন। নিশামের বলে উইকেটের পেছনে ধরা পড়ার আগে ৬৬ বলে ৫৫ করেন।
শেষ দিকে রিয়াদ রান বাড়ানোর চেষ্টা করেন। ৫৬ বলে ৫১ করে বিদায় নেন তিনি। মোসাদ্দেক হোসেন নিজের সহজাত ভঙ্গিতে খেলে গেছেন। ৪১ বলে ৪১ রান করেন তিনি।







