ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা এবং দক্ষতাকে স্থল সীমান্ত বিল পাসের বড় কারণ মনে করেন প্রবীণ কূটনীতিক হুমায়ুন কবীর। এই দৃঢ়তা এবং বাংলাদেশ-ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতার ধারাবাহিকতায় তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি নিয়েও আশাবাদী তিনি। বলেছেন, পানি বন্টনের সুখবর নিয়েই মোদির ঢাকা সফরে আসা উচিত।
দীর্ঘ ৪১ বছরের অপেক্ষার অবসান হয়েছে বৃহস্পতিবার। ৭৪’এ সই হওয়া মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অবশেষে অনুসমর্থন করেছেন ভারতের লোকসভার সদস্যরা। সংবিধান সংশোধন করে ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব সমাধান দিয়েছে ঝুলে থাকা স্থলসীমান্ত সমস্যার। বাংলাদেশের কূটনীতিক মহল বলছে, এ সিদ্ধান্ত ইতিবাচক এবং এখান থেকেই অগ্রগতির পরের ধাপ শুরু হওয়া উচিত।
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবীর বলেন, এই অনুসমর্থন সম্পন্ন হয়ে গেলে বাংলাদেশ আর ভারতের জল, স্থল ও আকাশের সীমানা নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। এটা নি:সন্দেহে একটা ইতিবাচক কাজ।
স্থলসীমান্ত বিলের মতো তিস্তার পানি বন্টনের সুখবর নিয়েই নরেন্দ্র মোদি ঢাকা সফর করবেন বলে আশা করেন তিনি। বলেন, এখানে যে সরকারই থাকুক, বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক থাকতে হবে, সেই আশাই আমরা করি। স্থলসীমান্ত চুক্তির ব্যাপারে তিনি যে সদিচ্ছা এবং দক্ষতা দেখিয়েছেন সেই একই ধরনের সদিচ্ছা ও দক্ষতা তিস্তার পানি চুক্তির ব্যাপারেও দেখান তাহলেই সফল হবেন। আর আমরাও তাহলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সেটাকে শুভেচ্ছা জানাবো। তবে সেটা দ্রুত হোক সেটাই আমরা চাই।
বাংলাদেশের কাছ থেকে ট্রানজিট সুবিধা চেয়ে লোকসভা সদস্যদের দাবির কথা উল্লেখ করে এ কূটনীতিক বলেন, অমীমাংসিত বাকি ইস্যুগুলো নিয়ে দেন-দরবারে বাংলাদেশের কূটনৈতিক দক্ষতা দেখানো উচিত।







