মুখের ওপর ঘোষণা দিয়ে দিলেন – জি৭ এর মতো বড় একটা সম্মেলনের ঠিক আগেই এক দিন ছুটি নেবেন তিনি। বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে শুধুই স্ত্রীকে সময় দেয়ার জন্য। কাজ তো জরুরি কিন্তু ভালোবাসার খাতিরে এক দিনের ছুটি তো নেয়াই যায়। সেদিন শুধুই দু’জনে দু’জনার। কাজ যাক চুলোয়, দুনিয়া যা বলে বলুক…শুধু সেদিনের জন্য।
কর্ম ও পারিবারিক জীবনের ভারসাম্য রক্ষায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর এই সিদ্ধান্তের সমালোচনাও কম হচ্ছে না। সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপারের যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক অ্যান্ড্রু ম্যাকডুগাল যেমন এ ব্যাপারে টুইট করেছেন, ‘বিদেশে বিবাহবার্ষিকী পালন করতে গিয়ে বাচ্চা সামলাতে আয়া আর অতিরিক্ত সাহায্য নিয়ে তোমাদের হইচই দেখবো আমি। দুঃসাহসী।’
তবে এসব খুব একটা গায়ে মাখবেন না চিন্তা করেই মনে হয় সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলেন ট্রুডো।
অবশ্য একে সুচিন্তিত কৌশল বলেও ধারণা করছেন অনেকে। তাদের মতে, এমন একটি আবেগীয় বিষয় নিয়ে ট্রুডো ইচ্ছাকৃতভাবে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করতে চাইছেন। কেননা কাজের ব্যস্ততার কারণে
পরিবার ও পার্টনারকে সময় দিতে না পারা বেশিরভাগ কানাডিয়ানেরই জীবনের অংশ।
তাই শুধু অর্ধাঙ্গিনীর সঙ্গে সময় কাটাতে ‘প্রধানমন্ত্রী’র মতো জটিল পদে থেকেও গুরুত্বপূর্ণ কাজের ফাঁকে ছুটি নেয়া কম কথা নয়। এই সুযোগে জনগণের কাছ থেকে ভালোবাসা আর সন্তুষ্টিও কিছু পেয়ে যাবেন ট্রুডো দম্পতি।
১১ তম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে স্ত্রী সোফি গ্রেগোয়ার ট্রুডোকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো এক দিন সময় কাটানোর ঘোষণা দেন উন্নত রাষ্ট্রসমূহের সম্মেলন জি৭ এ যোগদানের আগে আগেই। সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য সোমবার জাপানের টোকিওতে পৌঁছান তারা।
দেখুন জাপানে ট্রুডো দম্পতির ঘুরে বেড়ানোর একটি ভিডিও:







