বার্বাডোজ টেস্টের প্রথম দিন রাজত্ব করেছিলেন জো রুট। দ্বিতীয় দিন ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করে লাল বলের ক্রিকেটে নিজের ফর্মে ফেরার বার্তা দিলেন বেন স্টোকস। আর তাতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংস ঘোষণার আগে ৯ উইকেটে ৫০৭ রানের বড় স্কোর গড়েছে ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয় দিন শেষে ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৭১ রান। সফরকারীদের চেয়ে তারা এখনো ৪৩৬ রানে পিছিয়ে আছে। অধিনায়ক ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েড ৭৯ বলে ৪টি চারে ২৯ ও শামারাহ ব্রুকস ৮৩ বলে ৫ চারে ৩১ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
দীর্ঘ ১৮ মাস ও ২৩ ইনিংস পর সেঞ্চুরির দেখা পেলেন স্টোকস। এই সময়ের মাঝে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত বাবাকে হারিয়ে ছিলেন শোকে কাতর। মানসিক অবসাদের কারণে সাড়ে চার মাস ক্রিকেট থেকে নিয়েছিলেন বিরতি। আঙুলের গুরুতর ইনজুরির কারণে তাকে করাতে হয়েছিল সার্জারি।
সকল প্রতিবন্ধকতা পাশ কাটিয়ে অবশেষে হেসেছে স্টোকসের ব্যাট। ১২৮ বলে ১১ চার ও ৬ ছক্কায় খেললেন ১২০ রানের নান্দনিক ইনিংস।
বৃহস্পতিবার ৩ উইকেটে ২৪৪ রান নিয়ে ইংলিশরা দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে। আগের দিন সেঞ্চুরি তুলে নেয়া জো রুট এদিন দেড়শ রান ছাড়িয়ে যান। ৩১৬ বল খেলে ৮ ঘণ্টা ক্রিজে থেকে ১৪ চারের মারে তিনি করেন ১৫৩ রান। কেমার রোচের বলে লেগ বিফোরে কাটা পড়ার আগে বেন স্টোকসের সঙ্গে ১২৯ রানের জুটি গড়েন রুট।
আলজারি জোসেফের শর্ট বলে ডিপ মিড উইকেটে এনক্রুমাহ বোনেরের হাতে ধরা পড়ার আগে ২০ রান করেন জনই বেয়ারস্টো। খানিক পর ব্র্যাথওয়েডের বলে মারতে গিয়ে লং অফে ব্রুকসের তালুবন্দি হন সেঞ্চুরি হাঁকানো স্টোকস।
সপ্তম উইকেটে বেন ফোকস ও ক্রিস ওকস ৭৫ রানের জুটি গড়ে দলকে পাঁচশ রানের গণ্ডি পেরোতে সাহায্য করেন। ভিরাস্যামি পের্মাউলের বলে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হওয়ার আগে ৩১ রান করেন ফোকস। এরপর ৫৭ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় ৪১ রান করে আউট হন ওকস। ৪ রান করা জ্যাক লিচ পের্মাউলের বলে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে পের্মাউল নেন ৩ উইকেট। কেমার রোচ পান ২ উইকেট। একটি করে উইকেট দখল করেন জায়ডেন সেলেস, আলজারি জোসেফ ও জেসন হোল্ডার।
স্বাগতিক দলের ওপেনার জন ক্যাম্পবেল ৪ রান করে অভিষিক্ত ম্যাথিউ ফিশারের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এরপর ব্র্যাথওয়েড ও ব্রুকস ৫৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দিন পার করেন।








