বিপিএলে মাঠ থেকেই দেশি-বিদেশি ৭২ জুয়াড়িকে আটক করেছিল বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু)। তবে আইনের সীমাবদ্ধতা থাকায় তাদের শাস্তির আওতায় আনা যায়নি। স্টেডিয়ামে ক্রিকেটজুয়া ঢেকাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে কাজ শুরু করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের সময় অভিযান চালিয়ে কোন জুয়াড়িকে সনাক্ত করতে না পারলেও ধূমপান করার অপরাধে দুই দর্শককে আর্থিক জরিমানা করেছে তারা।
অভিযান পরিচালনার সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন এরিয়ার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মশিউর রহমান চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘স্টেডিয়ামে ধূমপান করার অপরাধে আমরা দুজনকে ৩০০ টাকা করে জরিমানা করেছি। জুয়াড়ি ধরার জন্য বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। এ পর্যন্ত কাউকে আটকের খবর নেই।’
স্টেডিয়ামে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান নিয়ে তিনি যোগ করেন, ‘আমরা প্রথমদিন যে অভিযান চালালাম সেটি মূলত যারা বিনা টিকেটে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেছে তাদের বিরুদ্ধে। যারা ধূমপান করছে, এমন আরও কিছু বিষয় দেখছি। ইভটিজিং, জুয়া বা বেটিং, অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড আছে কিনা, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন তৎপরতা রয়েছে কিনা সেসব দেখছি। বিনা টিকিটে কাউকে পাইনি। যাদের পেয়েছি তারা এক গ্যালারির দর্শক আরেক গ্যালারিতে বসে আছে। তাদেরকে আমরা নিজ স্থানে পাঠিয়ে দিয়েছি।’
স্টেডিয়ামে বসে জুয়া ধরতে ব্যবহার করা হয় মুঠোফোন। টিভিতে ৪-৫ সেকেন্ড দেরিতে সম্প্রচার হওয়ায় এই সময়টা কাজে লাগিয়ে মাঠে বসে অনলাইনে জুয়া ধরে অনেকে। বেটিংয়ের কার্যক্রম সনাক্ত করার প্রয়োজনীয় ডিভাইস সংশ্লিষ্টদের কাছে আছে কিনা সেই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী জানালেন, ‘অবশ্যই সরঞ্জাম যুক্ত করা আছে। সরকারের কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা এখানে কাজ করছে এবং তারা সরঞ্জাম সমৃদ্ধ। বড় বড় সংস্থার সদস্যরা সশরীরে এবং যন্ত্রপাতিসহ হাজির আছে।’







