যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের আলভার্ডের বাসিন্দা ব্রিটানি গেলার। জীবনের প্রথম স্কুলে যাওয়ার দিনে বাবা জেসন গেলার তাকে সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। আবার জীবনের শেষ স্কুলের দিনেও বাবার সঙ্গে ফিরেছেন স্কুল থেকে।
বাবাকে পাশে নিয়ে স্কুল জীবনের প্রথম ও শেষ দিনের দুটি ছবি কোলাজ করে টুইটারে প্রকাশ করে পঞ্চাশ হাজার মানুষের বাহবা কুড়িয়েছেন তিনি। বাবা-মেয়ের এমন ভালবাসা মাখা ছবি নিয়ে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে।
ব্রিটানি সম্প্রতি তার সিনিয়র হাইস্কুল শেষ করেছেন। গত ২৫ তারিখ ব্রিটানি টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করেন যেখানে পাশাপাশি দুটি ছবি রয়েছে, যার একটি তার কিন্ডারগার্টেনে যাবার দিনের ছবি এবং অপরটি সিনিয়র হাইস্কুলের শেষ দিনের ছবি। দুটি ছবিতেই তার বাবা জেসন গেলার তার পাশে রয়েছেন।
সম্প্রতি ব্রিটানির বাবা জেসন তাদের বাবা-মেয়ের প্রথম স্কুলে যাবার দিনের ছবি খুঁজে পান। সেই কিন্ডারগার্টনের দিনগুলো থেকেই জেসন তার মেয়ে ব্রিটানির স্কুলের শেষ দিন পর্যন্ত তাকে সঙ্গ দিতে চেয়েছেন।

বাবা-মেয়ের স্কুলযাত্রার শেষ দিনে তারা নানা বিষয় নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন। সময় কত দ্রুত চলে যায় এই বিষয়টি ভেবে তারা বেশ অবাক হয়েছেন। কিন্ডারগার্টেন থেকে সিনিয়র স্কুল পর্যন্ত বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া নানা ধরনের সহযোগিতার কথা স্মরণ করেছেন ব্রিটানি।
স্মৃতিচারণ করে ব্রিটানি বলেছেন: প্রথম স্কুলের দিন আমি খুবই ভীত ও বিচলিত ছিলাম। আমার বাবা এবং মা আমাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছিলেন। তারা বলছিলেন যে আমি অন্যান্য বিষয়গুলোর মতো স্কুলকেও পছন্দ করবো। তারা সব সময়ই আমার প্রতি অনেক সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখিয়েছেন।
কিন্ডারগার্টেনের প্রথম দিনে জেসন গেলার ব্রিটানিকে নিয়ে পায়ে হেঁটে গিয়েছিলেন। কিন্তু এরপর তারা গাড়িতে করেই যাওয়া আসা করতেন। এখনও ব্রিটানি তার বাবার সঙ্গকে খুব উপভোগ করেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, বাবার সাথে যে কোন ধরনের সঙ্গই আমি খুব উপভোগ করি। আমরা অনেক সময় এক সাথে থাকি।
জেসন গেলারকে বাবা হিসেবে পেয়ে তিনি নিজেকে খুব ভাগ্যবান ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন ব্রিটানি। তিনি বলেন, আমি নিঃসন্দেহে আশির্বাদপুষ্ট মেয়ে যে জেসনকে আমার বাবা হিসেবে পেয়েছি, এই আশির্বাদ এবং সৌভাগ্য ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।








