বাংলাদেশ-ভারত বাস সৌহার্দ্যযাত্রার উদ্বোধন করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সঙ্গে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দুটি নতুন রুটে বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেন তারা। এর ফলে এখন থেকে কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা এবং ঢাকা-শিলং-গোয়াহাটি রুটে সরাসরি বাস চলাচল করবে।
বাস সার্ভিস দুটির উদ্বোধনের সময় তিনজনই বাসের ভেতর কিছু সময় অবস্থান করেন। পরে সবুজ পতাকা উড়িয়ে বাসযাত্রার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন তারা। সেসময় বাসের চাবি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
দুই প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের সময় বাসের যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের শুভকামনা জানান। সংশ্লিষ্ট তিন সংস্থা, পশ্চিমবঙ্গ ভূতল পরিবহন নিগম, ত্রিপুরা সড়ক পরিবহন নিগম এবং সবশেষে বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন সংস্থার নামসহ প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে, উন্নত হবে বাণিজ্য। আর সেই বাণিজ্যের উন্নয়ন উন্নত করবে দুটি দেশকেই। এমন ভাবনা ছিলো দুটি দেশের নীতি নির্ধারকদের মাথায়। তাই দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করতে এবার বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দুটি বাস সার্ভিস চালু হলো।
এখন কেবল দুটি বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করা হলেও আগামীতে রাজশাহী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে আরো কিছু বাস সার্ভিস চালু করার ভাবনার কথাও একসময় বলেছিলেন মমতা ব্যানার্জী। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি দুটি দেশের বন্ধুত্বকে আরো নিবিড় করবে বলেই আশা।
৩৬ ঘণ্টার সফরে বাংলাদেশে এসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তার সফরসঙ্গী পশ্চিবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী আগের রাতেই ঢাকা চলে এসেছেন। তবে মোদি ঢাকা পৌঁছার সময় মমতা বিমান বন্দরে ছিলেন না।
নরেন্দ্র মোদি আগামীকাল দিল্লী ফিরে গেলেও আজই কলকাতা ফিরে যাচ্ছেন মমতা ব্যানার্জী।







