সিলেটে উইন্ডিজ পেসারদের শর্ট বলে চড়াও হতে গিয়ে খেসারত দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম টি-টুয়েন্টিতে শুরুর তিন ব্যাটসম্যানই সাজঘরে ফেরেন শর্ট বলে ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টায়। ক্যারিবীয়-গতির সামনে ধোপে টেকেনি তামিম-সৌম্য-লিটনদের অতি-আক্রমণাত্মক হওয়ার পরিকল্পনা।
হেরে সিরিজ শুরুর পর আলোচনায় শীর্ষে আসে শর্ট বলে তেড়েফুঁড়ে ব্যাট চালানো প্রসঙ্গ। ব্যাটিং কোচ নিল ম্যাকেঞ্জি তখন বলেছিলেন, শর্ট বল খেলা নিয়ে চিন্তিত নন। শর্ট বল কেন্দ্রিক সেই আলোচনা ফিরে এলো দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টির আগেও।
মিরপুরে বৃহস্পতিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টির আগেরদিন টাইগারদের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন সৌম্য সরকার। সেখানেও উঠল শর্ট বলের আলোচনা। যথারীতি সৌম্যও বললেন চিন্তার কিছু নেই। তবে এ বাঁহাতি বুঝতে পেরেছেন ভুল কোথায় ছিল। গতির মুখে পাল্টা আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টাকে তিনি দেখছেন সাহসিকতার নিদর্শন হিসেবে।
‘চিন্তা না(শর্ট, বল)। ওরা শর্ট বল করেছে, আমরা দৌড়িয়ে(সামনে এগিয়ে) মারতে গিয়েছি। এটা সাহসের ব্যাপার। শর্ট বলের মধ্যেও জোরে করা বলে মারতে গিয়েছি। পিছিয়ে গিয়ে আউট হলে বলা যেত যে আমরা শর্ট বলের ভয়ে আউট হয়েছি। সামনে গিয়ে আউট হয়েছি। জোরে বল আরও জোরে মারতে গিয়ে আউট হয়েছি। আমরা যদি বুদ্ধি খাটিয়ে প্লেসিং করার চেষ্টা করতাম, টাইমিং করে খেলতাম, তাহলে ভালো হত।’
‘সবাই তো জানি ওরা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দল, এই ফরম্যাটে। আমরাও খারাপ করছি তা না। চেষ্টা করছি তাদের সাথে তাল মিলিয়ে চলার। হয়তোবা কোনো একটা মিসটেক ছিল। কোনো বুদ্ধির ঘাটতি ছিল হয়তো। আমরা আর্লি তাদেরকে চার্জ করতে গিয়েছি। আমরা যদি বুদ্ধি খাটিয়ে খেলতাম, পেসারদের প্রথমকিছু ওভার যদি হ্যান্ডেল করতাম, তাহলে শেষের দিকে রান আরও কাভার করতে পারতাম।’
প্রথম ম্যাচে শুরুতে উইকেট হারানোয় বাংলাদেশকে খেলতে হয়েছে সতর্ক হয়ে। স্লগ ওভারে রান আসেনি। উইকেটও ধরে রাখা যায়নি। তালগোল পাকিয়ে ১ ওভার আগেই ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। বৃহস্পতিবার মিরপুরে দ্বিতীয় ম্যাচে সেসব ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চায় না টিম টাইগার্স।
‘শুরুতে দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়ায় মাঝখানে একটু মন্থর ব্যাটিং হয়েছে। পরের ম্যাচে চেষ্টা করা হবে শুরুর দিকে আমরা যারা আছি, তারা যেন পাওয়ার-প্লে সুন্দরভাবে কাজে লাগাতে পারি, উইকেট হাতে রাখতে পারি।’








