প্রতিবছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের কয়েকটি জেলার কয়েকশ গ্রামে ঈদুল-ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।
রোববার চাঁদপুর, বরিশাল, শরীয়তপুর, দিনাজপুর, ভোলা, মুন্সীগঞ্জ,সাতক্ষীরা ও চট্টগ্রামের কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঈদুল-ফিতর উদযাপন করা হয়।
শরীয়তপুরে জেলার প্রায় ৩০ গ্রামের ১২শ পরিবার ঈদ উদযাপন করছেন। সেখানে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৯টায় শুরেশ্বর দরবার শরীফ মাঠে। এছাড়া কোটাপাড়া, প্রেমতলা, বাঘিয়া, পাপরাইল, লাকার্তা, ফকিরকান্দি, পুনাইখার কান্দি, ঘোষাল সিকদার কান্দি, হালৈসার, পন্ডিতসার, খিরাপাড়া, নোয়াদ্দা, ঘরিষার, শুরেশ্বর সহ বিভিন্ন গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর।
বরিশালে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে আটটায় হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহে। বরিশাল সিটি করপোরেশন এই নামাজের আয়োজন করেন।
এছাড়া নগরীর ৪টি মসজিদে দু’টি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বরিশালে বাইরে উজিরপুরে গুঠিয়া জামে মসজিদে সকাল নয়টায় ও স্বরুপকাঠি নেছারাবাদ ঈদগাহে সকাল নয়টায় অনুষ্ঠিত হয় ঈদ জামাত।
চাঁদপুরে ৪০টি গ্রামে রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফের হামিদিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে ঈদুল ফিতর নামাজের প্রধান জামাত ও শমেশপুর ঈদগাঁ মাঠে দ্বিতীয় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টায়।
চাদপুর জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব দক্ষিণ ও কচুয়া উপজেলার ৪০টি গ্রামে প্রায় ৮৮ বছর ধরে ঈদুল ফিতর উদযাপিত করে আসছে।
গত পাঁচবছর ধরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারের শশীনাড়া গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবারের লোকজন ঈদ পালন করেছেন।
মুন্সীগঞ্জ সদরের ৯টি ও সিরাজদিখান উপজেলার ৬টি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টায় আধারা গ্রামের জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সিরাজদিখান উপজেলার তালতলা, মালখানগর, কাজীরবাগ, বয়রাগাদি পাউলদিয়া গ্রাম ও টঙ্গিবাড়ি উপজেলার পুর্ব রায়পুরা গ্রাম ঈদ উদযাপন করেন।








