মেহেদী হাসান মিরাজ আউট হতেই আগ্রাসী ভূমিকায় অবতীর্ণ হন নুরুল হাসান সোহান। টেলের ব্যাটারদের ওপর ভরসা না করে একের পর এক বাউন্ডারি মেরে ইনিংস ব্যবধানে হারের লজ্জায় পড়তে দেননি দলকে। তারপরও অবশ্য বড় হার এড়ানো যায়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে মাত্র ১৩ রানের লক্ষ্য দিয়ে বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছে ১০ উইকেটে।
সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিনের এক সেশনেই ম্যাচের ফল চলে আসে। অ্যান্টিগায় আগের টেস্টও শেষ হয়েছিল এক দিন আগেই।
টেস্টে এটি বাংলাদেশের ১০০তম হার। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ২২ বছরে বাংলাদেশ খেলেছে ১৩৫ ম্যাচ। যার মধ্যে হার একশটিতে। ১৬ ম্যাচে জয় আর ১৮টিতে ড্র।
অ্যান্টিগার পর সেন্ট লুসিয়ায়ও ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। যার ফল টেস্ট সিরিজে ২-০ তে হোয়াইটওয়াশ।
বাংলাদেশ: ২৩৪ ও ১৮৬ ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪০৮ ও ১৩/০
পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশের সামনে এবার তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ। আগামী ২ জুলাই শুরু প্রথম ম্যাচ।
চতুর্থ দিনে খেলা শুরু হয় দুপুরের পর। সকালের বৃষ্টিতে মাঠ ভেজা থাকায় দুই সেশন নষ্ট হয়। ১৩২ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। ৪ উইকেট নিয়ে ইনিংস হার এড়াতে আরও করতে হবে ৪১ রান।
দলীয় রান দেড়শ ছোঁয়ার আগেই সাজঘরে ফিরে যান মিরাজ (৪)। এক প্রান্ত থেকে রান তোলেন সোহান। ইবাদত হোসেন, শরিফুল ইসলামদের দর্শক বানিয়ে টানা কয়েকটি বাউন্ডারি মেরে ইনিংস ব্যবধানে হারের মঞ্চ থেকে টেনে উদ্ধার করেন দলকে। ৫০ বল খেলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন। মারেন ৬টি চার ও ২টি ছক্কা।
শেষে খালেদ আহমেদ বোকামি করে রান আউট না হলে ক্যারিবীয়দের লক্ষ্যটা আরেকটু বড় হতে পারত। প্রথম ইনিংসে ২৩৪ রান তোলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ১৮৬ রানে। কেমার রোচ, আলঝারি জোসেফ ও জেইডেন সীলস নেন তিনটি করে উইকেট।
ওয়েষ্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে তোলে ৪০৮ রান। স্বাগতিকরা ১৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ২.৫ ওভারে। দুই ওপেনার ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট ৪ ও জন ক্যাম্বেল ৯ রানে অপরাজিত থাকেন।








