শনিবার বেঁধে দেয়া সময়ের পরও সেলিম ওসমান ও সহযোগীদের গ্রেফতার না করায় আজ সোমবারের সংহতি সমাবেশ থেকে অবিলম্বে সাংসদ সেলিম ওসমানকে গ্রেফতার, শিক্ষক শ্যামল কান্তির নিরাপত্তা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা, উস্কানি প্রদানকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ এবং সারাদেশে সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর দ্রুত বিচারসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে লেখক-শিল্পী-শিক্ষক-সংস্কৃতিকর্মীরা।
নারায়ণগঞ্জে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় সাংসদ সেলিম ওসমান ও সহযোগীদের বিচারের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত সংহতি সমাবেশে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।সমাবেশ শেষে সেলিম ওসমানের কুশপুত্তলিকা দাহ করে বিক্ষুব্ধরা।
শিক্ষক-লেখক-সংস্কৃতিকর্মীদের সমাবেশে সংহতি জানান সাধারণ পেশাজীবী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সংহতি সমাবেশে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন প্রকাশক রবীন আহসান।
ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বাকি বিল্লাহ’র সঞ্চালনায় সংহতি সমাবেশে সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, শিক্ষা বার্তা সম্পাদক অধ্যাপক এ এন রাশেদা, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিম, কথাসাহিত্যিক অদিতি ফাল্গুনী, আইনজীবী খন্দকার আরিফুল হক, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের সংগঠক জাকিয়া শিশির, যুব ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক শিশির চক্রবর্তী, চা শ্রমিকদের ভূমিরক্ষা সংহতির নেতা ইফতেখার আহমেদ তুষার বক্তব্য দেন।
শিক্ষক লাঞ্ছনার মতো লজ্জা থেকে মুক্তি পেতে ১৭ মে শিক্ষক নির্যাতনের ঘটনায় স্থানীয় সাংসদ সেলিম ওসমানকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছিলো লেখক-শিল্পী-শিক্ষক-সংস্কৃতিকর্মীরা। শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীদের গ্রেফতারের দাবি বাস্তবায়নে ২১ মে শাহবাগে সংহতি সমাবেশের ডাক দেয়া হয়।








