প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা প্রবর্তিত ১৯৭৪ সালের প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে সেনাবাহিনীর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্য সামনে রেখে জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি ও ফোর্সেস গোল ২০৩০ বাস্তবায়ন করছে সরকার। বৃহস্পতিবার বগুড়া সেনানিবাসে ৫ম কোর পুনর্মিলনী ও ১২ ল্যান্সারকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ ও গৌরবের প্রতীক।
বৃহস্পতিবার বগুড়া সেনানিবাসে সাঁজোয়া কোরের ৫ম পুনর্মিলনী এবং ১২ ল্যান্সারের জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে শহীদ বদিউজ্জামান প্যারেড গ্রাউন্ডে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক।
আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন। ইউনিট কমান্ডারের হাতে জাতীয় পতাকাও তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা তার ভাষণে বলেন, আমরা সাঁজোয়া কোরের নতুন অত্যাধুনিক ট্যাঙ্ক এমবিটি-২০০০ সংযোজন করেছি। ভবিষ্যতে আরো দু’টি সাঁজোয়া রেজিমেন্ট গঠনের পরিকল্পনাও বিবেচনাধীন রয়েছে। এটি সাঁজোয়া কোরের পুরতান ট্যাঙ্কগুলোকে যুগোপযোগি করার লক্ষে কাজ করবে।
তিনি আরো বলেন, এই উন্নয়ন আপনাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আরো আত্ম বিশ্বাসী করে তুলবে।
এসময় নৌ ও বিমান বাহিনীকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।
১৯৭৪ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এর কাছ থেকে পাওয়া ৩০টি টি-৫৪ ট্যাংকের মাধ্যমে এই কোরের শুভ সূচনা করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠতম কোর সাঁজোয়া কোর।






