প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সেনাবাহিনী সদস্যদের সংবিধান ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক যে কোনো হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। সিলেট জালালাবাদ সেনা নিবাসে ১৭ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ১১ পদাতিক ব্রিগেডসহ ৯টি ইউনিটের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেট জালালাবাদ সেনানিবাসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক এবং ১৭ পদাতিক ডিভিশনের ও সিলেট এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল আনোয়ারুল মোমেন।
সেনাবাহিনীর একটি দল কুচকাওয়াজের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানায়। এর পর প্রধানমন্ত্রী ১৭ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ১১ পদাতিক ব্রিগেডের পতাকা উত্তোলন করেন। একই সঙ্গে ২২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৮ সিগন্যাল ব্যাটালিয়ন, ৬১ ইস্ট বেঙ্গল, ৩৮এসটি ব্যটালিয়ন, ৯১ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স, ৫০৮ ডিভিশন অর্ডিন্যান্স কোম্পানি, ১৭ এমপি ইউনিট, ৫৯৮ এফআইইউ এর পতাকা উত্তোলন করা হয়।
পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের জন্য নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, “জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তার লক্ষ্য ছিল, বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ। সেই বাংলাদেশকে আমরা দারিদ্র্যমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত হিসেবেই গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে সরকার দেশের দারিদ্র্যসীমা ১২ ভাগের নিচে নামিয়ে এনেছে। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে দারিদ্র্য থাকবে না, মানুষ উন্নত, সমৃদ্ধ জীবনযাপন করবে, প্রত্যেকটা মানুষ নিজ নিজ মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবে – এই আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী সেনা বাহিনীর সদস্যদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হয়ে নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও পারস্পরিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ সর্বোপরি শৃঙ্খলা বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী সিলেটে পৌঁছে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহ পরান (রহ.)’র মাজার জিয়ারত, দোয়া ও ফাতেহা পাঠ করেন।







