বেশকিছু জটিল সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় ভর্তি ছিলেন প্রখ্যাত গীতিকবি কাওসার আহমেদ চৌধুরী। তবে সব আশঙ্কা কাটিয়ে সুস্থ হয়ে দুই এক দিনের মধ্যে ঘরে ফিরছেন তিনি। বৃহস্পতিবার চ্যানেল আই অনলাইনকে এমন খবরই দিলেন তার ছেলে প্রতীক।
‘যেখানে সীমান্ত তোমার, আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে, কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে, মৌসুমী কারে ভালোবাসো তুমি, এই রুপালি গিটার ফেলে এবং আমায় ডেকো না ফেরানো যাবে না’র মতো এমন আরো বেশকিছু কালজয়ী গানের গীতিকবি কাওসার আহমেদ চৌধুরী। তার লেখা অনেক গান জনপ্রিয়তা পেলেও জ্যোতিষী হিসেবে সবাই কাওসার আহমেদ চৌধুরীকে এক নামে চেনেন। সম্প্রতি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। সেসময় গীতিকবির শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছিলো তার পরিবার।
কাওসার আহমেদ চৌধুরীর অসুস্থতা নিয়ে তার ছেলে প্রতীক গেল সপ্তাহে জানিয়েছিলেন, আগেতো বাবা স্ট্রোক করেছিলেন, কিন্তু এবার মূল যে সমস্যাটা সেটা কিডনিতে এবং ব্লাডে ইনফেকশান। এরমধ্যে নিউমোনিয়াও রয়েছে। যার কারণে বুকে পানি জমে আছে। মানে তার এখন মাল্টিপল প্রবলেম।
আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে কাওসার আহমেদ চৌধুরী আছেন প্রফেসর কুরাইশির অধীনে। তিনিই প্রখ্যাত এই গীতিকবির চিকিৎসার দায়িত্বে আছেন। তার চিকিৎসাতেই এখন উন্নতির দিকে কাওসার আহমেদ চৌধুরী। শুক্র বা শনিবারের মধ্যে তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হবে।
এরমধ্যে হাসপাতালেই কাওসার আহমেদ চৌধুরীকে দেখতে যান অনেক গুণী মানুষ ও ভক্ত অনুরাগীরা। সম্প্রতি হাসপাতালে গিয়েছিলেন কবি নির্মলেন্দু গুণ। প্রতীক বলেন, নির্মলেন্দু কাকা বাবার বন্ধু। উনার যখন প্রথম বই ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ প্রকাশ হয় তখন সেটা বাবা প্রচ্ছদ করে দিয়েছিলেন।
১১ বছর বয়স থেকে জ্যোতিষশাস্ত্র ও কবিতা লেখার তুমুল আগ্রহ ছিলো কাওসার আহমেদ চৌধুরীর। চিত্রশিল্পী হওয়ার স্বপ্নে ভর্তি হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদেও। দক্ষতার সাথে নাটক পরিচালনা করতেও দেখা গেছে তাকে।







