ব্যাট হাতে বড়ই দুঃসময় পার করছেন তামিম ইকবাল। পাচ্ছেন না রান। তাতে ভুগছে বাংলাদেশ। ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙতে উদগ্রীব টাইগার ওপেনার অবশ্য কথা দিচ্ছেন, সুসময়ে চেষ্টা করবেন সব পুষিয়ে দিতে। ভালো ইনিংসকে টেনে নিয়ে যাবেন আরও ভালোতে।
এক ম্যাচ আগেই শ্রীলঙ্কা সফরে সিরিজ হেরে বসা বাংলাদেশ বুধবার প্রেমাদাসায় নামবে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে। এই ম্যাচ থেকেই কি দুর্দশা ঘোঁচাতে শুরু করবেন তামিম?
তামিম বাংলাদেশের সেরা ওপেনার, সেরা ব্যাটসম্যানও। কিন্তু সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিচারে এই কথার সঙ্গে আপত্তি করবেন সবাই। সেরা ব্যাটসম্যান শেষ ছয় ম্যাচে যেভাবে বোল্ড হয়েছেন তা ছিল এককথায়- দৃষ্টিকটু। কখনও ইয়র্কার ঠেকাতে গিয়ে হুমড়ি খেয়ে মাটিতে পড়েছেন। কখনও বাইরের বল ব্যাটের ছোঁয়ায় টেনে এনেছেন ভেতরে।
বাংলাদেশের পারফরম্যান্স যেন তামিমেরই প্রতিচ্ছবি। এক ম্যাচ আগেই সিরিজ হার (২-০); তাও একদমই লড়াইহীন। তামিম ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন শেষ ম্যাচে নামার আগে। সংবাদ সম্মেলনে যখন মনে করিয়ে দেয়া হয়, তামিম ভালো খেললেই তো কাজটা খুব সহজ হয়ে যায়। মাইক্রোফোনের সামনে তামিম যা বললেন তাতে আশা-নিরাশার মিশেলের সঙ্গে থাকল ফর্মে ফিরলে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যায়।
‘আমি প্রতিদিনই অনুভব করার চেষ্টা করি এবং প্রতিদিনই মনে হয় আজ হয়ে যাবে আজ হয়ে যাবে। কিন্তু হয়ত কোনো একটা কারণে… আমি আউট হওয়ার কারণ খুঁজছি। শেষ ছয় ইনিংস যদি দেখেন যে একইভাবে (বোল্ড) আউট হয়েছি। কিন্তু ধরণ কিছুটা ভিন্ন ছিল। একজন ক্রিকেটার হিসেবে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে এবং এখান থেকে বের হতে হবে। ভাল ও ইতিবাচক দিক হল, এটা প্রথম নয় এমন অবস্থার মধ্যে দিয়ে আগেও আমাকে আগেও যেতে হয়েছে।’
‘আমি এই বৃত্ত থেকে বের হবো, সে বিশ্বাস রাখি। আমি যদি বিশ্বাস না রাখি তাহলে আমার জন্য আরও কঠিন। আমি সবসময় একটা কথা বলছি, সবসময় আমি রান করি আর না করি যখন বের হব (খারাপ সময় থেকে) যখন রান করব এটা যেন নিশ্চিত করতে পারি সব পুষিয়ে দেয়ার। আরও ভালো খেলার।’







