সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে নির্বাচন কমিশনই সবচেয়ে বড় বাধা বলে মন্তব্য করেছে নাগরিকদের সংগঠন সুজন। চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তারা বলেছে, এমন চললে ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনও সুষ্ঠু হবে না।
২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ধাপের ৬৩৭টি ইউনিয়নের নির্বাচন। ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত প্রাণহানী ঘটেছে ৫৬ জনের। দলীয় প্রতীকে প্রথমবারের মত তৃণমূলের এই নির্বাচনে এত প্রাণহানীসহ নানা অনিয়মকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে চলমান ইউপি নির্বাচনের হালচাল নিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক- সুজনের আলোচনায় উঠে আসে নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের বিরুদ্ধে নানা সমালোচনা।
সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘সার্বিক বিবেচনায় মনে হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের নির্বাচন কমিশনই যেনো বড় বাধা। বস্তুত এরা যেন আজিজ কমিশনকেও ছাড়িয়ে গেছে।’
ইসিকে নির্বাচন অনুষ্ঠান সামাল দেয়ার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করে তাদের পদত্যাগও দাবী করে সুজন। এরশাদ আমলে ১৯৮৮ সালে ইউপি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১০০ জনের নির্বাচিত হওয়ার তথ্য জানিয়ে তারা বলেছে, এবার এখন পর্যন্ত ১ শ ১৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া বিজয়ী হয়েছে যা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, ‘জেনারেল এরশাদ সেদিন এক প্রেস কনফারেন্সে নতুন একটা স্লোগান উদ্ভাবন করে বলেছেন এখনকার নির্বাচন সংস্কৃতি হলো আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেবো। আমার মনে ইউপি নির্বাচনের যে কয়েকটি ধাপের নির্বাচন হয়েছে তার সারসংক্ষেপ এরশাদের স্লোগানের মধ্যদিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে।
সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকে বের হতে না পারলে পরবর্তী কোনো ধাপেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে শংকা প্রকাশ করেছে সুজন।







