তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো সুরের ধারার পৌষ উৎসব। লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে মেলা উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে নিজস্ব সাংস্কৃতিক মোহনায় নিয়ে আসাই মেলার উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে সুরের ধারা। সুরের ধারার শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পৌষ উৎসব শুরু। উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
জাতীয় ভাবে এ ধরনের মেলা আয়োজন করে সৃজনশীল অর্থনীতি বিকাশের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, সরকার যখন সিদ্ধান্ত নিবে তখনি বাঙালি এই ধরনের উৎসবগুলো জাতীয় উৎসবে পালন করবে। 
তখন এগুলো ঘিরে বড় মেলা হবে, উৎসব হবে এবং তার সঙ্গে মানুষের সংস্কৃতির একটি যোগাযোগ ঘটবে। সেই সাথে সৃজনশীল অর্থনীতিরও বিকাশ ঘটবে।
আয়োজনের উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলেন সুরের ধারা’র অধ্যক্ষ বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। 
তিনি বলেন, পৌষ মেলায় এই যে বাচ্চার ঘুরছে পিঠা-পুলি খাচ্ছে, নাগরদোলায় উঠছে এই পুরোদিন ধরে আমাদের নিজস্ব জিনিসগুলোর সঙ্গে পরিচয় হবে সেই উদ্দেশ্য থেকেই সুরের ধারার পৌষ উৎসব।
গ্রামীণ মেলার সবই ছিল সুরের ধারা’র পৌষ উৎসবে। লোকজ, কারু ও মৃৎ পণ্য, কাঁচের চুড়ি, নাগরদোলা, বায়োস্কোপের সঙ্গে শীতের পিঠা।








