আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সাংবাদিক শফিক রেহমানকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তদন্তে নির্দোষ প্রমাণ হলে তিনি মুক্তি পাবেন। রাষ্ট্রদ্রোহ অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার সাংবাদিক শফিক রেহমানের বিষয়ে কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
তবে তাকে গ্রেফতারে আইনের ব্যত্যয় হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় জেলা রেজিস্ট্রারদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আইনমন্ত্রী রেজিস্ট্রারদের স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালন করার আহবান জানান। এসময় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রদ্রোহ অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার সাংবাদিক শফিক রেহমানের বিষয়ে কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি যতদূর জানি তাকে একটি সুনির্দিষ্ট মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই মামলা তদন্তাধীন আছে। তদন্ত শেষে তিনি নির্দোষ হলে মুক্তি পাবেন। আর যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে তাহলে বিচার হবে।
শফিক রেহমান প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে নিজের মন্তব্য জানান তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, সংবাদপত্রের চর্চার জন্য বা কাজ করার জন্য তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। শফিক রেহমানকে সুনির্দিষ্ট, ভিন্ন অপরাধজনিত কাজের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে, প্রাথমিকভাবে তদন্তে পুলিশ কর্তৃপক্ষ সন্তুষ্ট হওয়ার জন্যে প্রাথমিকভাবে গ্রেফতার করেছে এবং আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
কর্মশালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের বিষয়ে
আইনমন্ত্রী বলেন, ওই আদালত প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়।
সম্প্রতি প্রধান বিচারপতি এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন প্রচলিত বিচারব্যবস্থার সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলতে পারে না। এবিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, এখন যদি ব্যাপারটা কোর্টে আনা হয় তাহলে সাক্ষী প্রমাণ, তারপরে বিচার তারপরে আপিলের সুযোগ মিলিয়ে তিনমাসের জায়গায় ৫ বছর লাগবে মামলা হতে। সেই জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকলে সেটার অবশ্যই প্রয়োজনীয়তা আছে। এটা মোটেও সাংঘর্ষিক নয়।
তবে আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন জনগণের আস্থা বজায় রাখতেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলছে।








