গেল গেল রবটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটকে ঘিরে অনেকদিন ধরেই। নিম্নগামী পারফরম্যান্স সেই রবের মেঘটা আরও ঘনীভূত করেছে। তার মাঝেই চমক জাগানো সব পারফরম্যান্সে ক্রিকেটে নিজেদের জাতটা চেনাতে সচেষ্ট থেকেছেন লারার উত্তরসূরিরা। প্রচণ্ড চাপের মাঝে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইংল্যান্ডকে টেস্টে হারিয়ে সেটাই আরেকবার করে দেখাল জেসন হোল্ডারের দল।
হেডিংলিতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে শাই হোপের সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিন ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ এর সমতা।
সর্বশেষ ২০০০ সাল, ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্টে আরেকটি জয় এল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। প্রথম টেস্টে লজ্জাজনক হারের পর সমালোচনার তীর ঘিরে ধরেছিল দলটিকে। সেটাই হয়ত সেরাটা বের করে আনল।
যার বেশিরভাগটা জুড়েই থাকল শাই হোপ ও ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের দৃঢ়চেতা ব্যাটিং। প্রথম ইনিংসে ১৪৭ রানের পর হোপ ১১৮ রানের ইনিংস খেলেছেন দ্বিতীয়বার নেমে। ব্র্যাথওয়েট সেখানে প্রথম ইনিংসে ১৩৪ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ফিরেছেন ৯৫ রানের অবদান রেখে।
ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে করেছিল ২৫৮ রান। জবাবে ক্যারিবীয়রা থামে ৪২৭ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংলিশরা ৮ উইকেটে ৪৯০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩২২ রানের। পঞ্চম দিনে সেটাই তারা টপকে গেছে ৫ উইকেট অক্ষত রেখেই।
অবশ্য অনেকগুলো সুযোগ হাতছাড়ার করে ইংলিশরা ব্যাকফুটেই থেকেছে। সেটাই কাজে লাগিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কোন উইকেট না হারিয়ে ৫ রানে শেষ দিন শুরু করে ৫৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে একসময় চাপেও পড়েছিল উইন্ডিজ। সেখান থেকে ব্র্যাথওয়েট ও হোপের ১৪৪ রানের জুটি।
পরে রোস্টন চেইজের (৩০) সঙ্গে ৪৯ ও জার্মেইন ব্ল্যেকউডের (৪১) সঙ্গে ৭৪ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ নাগালে আনেন হোপ। ২১১ বলে ১৪ চারে ১১৮ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন তিনি।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে গড়াবে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর, লর্ডসে।







