ইউরোপের দুই চেনা প্রতিদ্বন্দ্বী। অথচ বিশ্বকাপের পরিসংখ্যানে একদম অচেনা! কারণ বাছাইপর্বে একাধিকবার হলেও বিশ্বসেরার মঞ্চে কখনোই মুখোমুখি হয়নি সুইডেন-সুইজারল্যান্ড। এমনকি ইউরোও পারেনি এ দুই দলকে মুখোমুখি করতে।
অতীতে যা হয়নি, রাশিয়া বিশ্বকাপ সেটাই সম্ভব করছে। প্রথমবারের মতো মুখোমুখি নামিয়ে দিচ্ছে দুই ‘সুই’ সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডকে। সেটিও আবার কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড। অতীতে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস, আর সার্বিক পরিস্থিতি কী বলছে তা দেখে নেয়া যাক-
>মোট ২৭বার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে সুইডেন-সুইজারল্যান্ড। জয়ে দুই দল সমানে সমান। ১০টি করে ম্যাচ জিতেছে। ৭টি ম্যাচ হয়েছে ড্র।
>বিশ্বকাপে না খেললেও বাছাইপর্বে পাঁচবার একে অপরের বিপক্ষে লড়েছে সুইস-সুইডিশরা। তাতে তিনবার জয় সুইডেনের, দুবার সুইজারল্যান্ডের।
>২০০২ সালের পর এখন পর্যন্ত মুখোমুখি হয়নি এ দুদল। সেবছর প্রীতি ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল।
>গ্রুপ ‘ই’ থেকে রানার্সআপ হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে এসেছে সুইজারল্যান্ড। আর গ্রুপ ‘এফ’ থেকে জার্মানির মতো দলকে পেছনে ফেলে সেরা হয় সুইডেন।
>বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচের ৬টিতেই কোনো গোল খায়নি সুইডেন।
>বিশ্বকাপে ১৭ ম্যাচের ১৬টিতেই অপরাজিত সুইজারল্যান্ড।
>গ্রুপপর্বে প্রতিপক্ষের জালে এবার পাঁচবার বল জড়িয়েছে সুইজারল্যান্ড। হজম করেছে চারটি। তিন ম্যাচে এক জয় ও দুই ড্রয়ে মোট পাঁচ পয়েন্ট দলটির।
>জার্মানির কাছে ২-১ গোলে হারলেও মেক্সিকোকে ৩-০ ও সাউথ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হয় সুইডেন। পাঁচ গোলের বিপরীতে কেবল এক গোল হজম করেছে দলটি।
>প্রথম রাউন্ডে গড়ে ১.৬৭টি করে গোল করেছে দুই দলই।
>মিডফিল্ডার সেবাস্টিয়ান লারসনকে সুইসদের বিপক্ষে পাচ্ছে না সুইডিশরা। আর দুই হলুদ কার্ডে কাটা পড়েছেন সুইজারল্যান্ডের দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় স্টিফেন লিস্টাইনার ও ফেবিয়ান শাকার। অসুস্থতায় অনিশ্চিত সুইসদের সর্বোচ্চ গোলসংগ্রাহক স্টিভেন জুভের।
>সুইডেনের আলভিন একদাল, ভিক্টর ক্লাসেন ও মিকায়েল লাসটিগ আছেন হলুদ কার্ড নিয়ে শঙ্কায়। সুইজারল্যান্ডের ডেনিশ জাকারিয়া, ভ্যালন বেহরামি ও জেরদান শাকিরিও একই শঙ্কায়।
>সুইডিশ গোলরক্ষক রবিন ওলসেন আছেন দারুণ ফর্মে। ম্যাচ টাইব্রেক পর্যন্ত গেলে তাকে নিয়ে ঝুঁকিতে থাকতে পারে সুইজারল্যান্ড।
>সুইজারল্যান্ডের খেলায় প্রাণ আনেন জেরদান শাকিরি। মূলত তার পায়ের জাদুতে দ্বিতীয় রাউন্ডে এসেছে সুইসরা। তাকে আটকাতে না পারলে কপালে দুঃখ আছে সুইডেনের!







