বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশের স্বার্থেই সীমান্তের অবৈধ বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে বৈধ পথে ফিরিয়ে আনার তাগিদ দিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ সরণ।
বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ইস্যুতে বক্তৃতায় হাইকমিশনার বলেন, সীমান্ত হত্যা কমেছে ঠিকই কিন্তু প্রয়োজন একে শূন্যের কোটায় নিয়ে আসা। তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি হবে বলেও বিশ্বাস করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিস)-এর দেশভিত্তিক বক্তৃতায় পঙ্কজ সরণ বলেন, গত এক বছরে দুই দেশের সম্পর্ক অন্য উচ্চতায় উঠে গেছে। তবে এরইমধ্যে অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। এখন সময় সামনের দিকে তাকানোর।
বক্তৃতায় তিনি বলেণ, “তিস্তার পানি বন্টন নিয়ে সব পক্ষের সঙ্গে সমঝোতা অব্যাহত আছে। আমি আশাবাদী, কারণ অতীতে সীমানা নির্ধারণে আমরা সফল হয়েছি, এবারও হবো।”
তবে পানির সুষ্ঠু বন্টন কিভাবে হবে তার জন্য কারিগরি সমাধানের পাশাপাশি রাজনৈতিক সমঝোতার উপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ফেলানি এবং সীমান্ত হত্যা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের উত্তরে হাইকমিশনার বলেন, এ ধরণের অনাকাঙ্খিত ঘটনা কমাতে প্রয়োজন অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা। ফেলানির ঘটনা দুঃখজনক।
তিনি মনে করেন, “সীমান্ত হওয়া উচিত শান্তিপূর্ণ। কিন্তু এর জন্য প্রথমেই বৈধ সীমান্ত পারাপার নিশ্চিত করতে হবে। বাড়াতে হবে দু’দেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে সমন্বয়। আর সবশেষে সীমান্তের বাণিজ্যক কার্যক্রমকে বৈধ করতে হবে। কেননা অবৈধ গরু চোরাচালানের ফাঁকে জাল টাকা, মাদক এমনকি অস্ত্রও পার হয়।”
ভিসা জটিলতা কাটবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে হাইকমিশনার জানান, এরইমধ্যে ১০ ক্যাটাগরির ৯টিতেই অনলাইনে টোকেন নিতে হয় না। ভিসার চাপ সামলাতে বাংলাদেশে ১০টি ভিসা সেন্টার খোলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।







