সিরাজগঞ্জে সরকারের চাপে প্রশাসন আর নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে মাঠে নেমেছে বলে অভিযোগ বিএনপি’র প্রার্থীদের। অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে প্রশাসন বলছে ‘বনের বাঘ নয়, মনের বাঘেই ভয় পাচ্ছে বিএনপি’।
যমুনা পাড়ের তাঁতনগরী খ্যাত সিরাজগঞ্জের ৬টি পৌরসভায় নির্বাচনী উত্তাপ এখন তুঙ্গে। প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো সিরাজগঞ্জের সদর পৌরসভায় মেয়র পদে লড়াইয়ে আছেন ৬ প্রার্থী। নানান সমস্যায় জর্জরিত প্রবীন এই শহরের উন্নয়নে দিনরাত প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা। কেবল প্রতিশ্রুতি নয় মানুষ চাইছে প্রকৃত উন্নয়ন।
রাস্তাঘাটসহ শহরের সার্বিক উন্নয়ন চান ভোটাররা। বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে যায় বলে নিজেদের দুরবস্থার কথা জানান তারা।
হাজারো উন্নয়নের বার্তা নিয়ে দ্বারে দ্বারে ভোট চাইছেন প্রার্থীরা। তবে শেষ সময়ে এসে নির্বাচনী সহিংসতার আশঙ্কায় বিএনপি’র প্রার্থীরা। সরকারি দলের প্রার্থীদের কালো টাকা আর প্রভাবের কাছে নিশ্চুপ কমিশন, এমন ঢালাও অভিযোগ তাদের।
বিএনপি’র প্রার্থী বলেন, ভোটকেন্দ্র ফাঁকা করে দিয়ে তারা ভোট নেয়ার পায়তাড়া করতেছে। কতজনের লাশ পড়লে সেনাবাহিনী পাঠানোর মতো অবস্থা হবে? বলে সিইসি’র প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়েন তিনি।
বিএনপি প্রার্থীদের সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। আওয়ামী লীগের প্রার্থী বলেন, এটা শতভাগ মিথ্যা কথা। সিরাজগঞ্জের জনগণকে জিজ্ঞাসা করলেই আপনারা বুঝতে পারবেন। এখানে নিরপেক্ষ ভোট হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নির্বাচনী মাঠে সবার সমান সুযোগ রয়েছে বলে জোর দাবি প্রশাসনের। কেননা নির্বাচন সুষ্ঠু হলে সরকারেরই বিজয় বলে মন্তব্য রিটার্নিং অফিসারের।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক এবং সিরাজগঞ্জ সদরের রিটার্নিং অফিসার বিল্লাল হোসেন বলেন, এটাতো একটা স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন। সরকার পরিবর্তনের কোন বিষয় নয়। সুতরাং আমি মনে করি সুষ্ঠু একটি নির্বাচন হলে সরকারের বিজয়।
সিরাজগঞ্জের ৬টি পৌরসভায় মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৩ জন প্রার্থী, বেশকিছু পৌরসভায় বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থীও রয়েছে।







