সিটিং সার্ভিসকে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনার স্বার্থে ১৫ দিনের জন্য ওইসব বাসের বিরুদ্ধে ভাড়া নিয়ে চলমান অভিযান স্থগিত ঘোষণাা করেছে বিআরটিএ। বিকেলে মালিকপক্ষ এবং নাগরিক সমাজসহ ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শেষে নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান।
প্রায় ১ ঘণ্টার বৈঠক শেষে সিটিং সার্ভিসের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান ১৫ দিনের জন্য স্থগিতের ঘোষনা দেন বিআরটিএর চেয়ারম্যান।
মালিক সমিতির কাছে আবারো সরকারি প্রতিষ্ঠান নতি স্বীকার করলো কি না এমন প্রশ্ন এড়িয়ে যান বিআরটিএ চেয়ারম্যান।
তবে বিআরটিএ’র অভিযানের সময় যেসব বাস কোম্পানি রাস্তায় বাস না নামিয়ে কৃত্রিম গণপরিবহন সংকট তৈরি করেছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিআরটিএ। সিটিং সার্ভিস বন্ধে না হলেও এঙ্গেল, বাম্পার ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় সরাঞ্জাম সরিয়ে দিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
এর আগে সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, জনস্বার্থ বিবেচনায় রাজধানীতে সিটিং সার্ভিস ব্যবস্থা আবারও ফিরিয়ে আনা হতে পারে। এর পাশাপাশি রাজধানীবাসীর গণপরিবহণ সমস্যা সমধানে ভিন্ন চিন্তার কথা জানিয়েছেন তিনি।
বিকল্প সমাধানের অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে মে মাসের মধ্যে ৪০০ পাবলিক বাস ঢাকার রাস্তায় নামানো বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী।
ভাড়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৬ এপ্রিল) থেকে গণপরিবহনে সিটিং সার্ভিস বন্ধ করা হয়।







