দুই দলের দুই ইনিংস মিলিয়ে রান উঠল মোট ৬৪৯। প্রথম দল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব করে ৩২৪ রান। দুই বল হাতে রেখে তাদের সেই রান টপকে যায় সাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব। দু’দলের সাড়ে ছয়শ রানের ম্যাচে নায়ক আফিফ হোসেন। তার ৮৬ বলে ৯৭ রানের ইনিংসে ভর করেই মোহামেডানকে হারায় সাইনপুকুর।
প্রথম ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় মোহামেডানের। তাদের প্রথম চারজন ব্যাটসম্যানই হাফসেঞ্চুরি করেন। পঞ্চম ব্যাটসম্যান পাঁচ রানের জন্য হাফসেঞ্চুরি পাননি। ৮৯ বলে নয়টি চার ও এক ছক্কায় সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেন লিটন দাস। সমান ৫০ রান করে করেন ইরফান সুক্কুর ও অভিষেক মিশ্রা।
তবে প্রথম তিনজনের চেয়ে বেশি মারমুখী ছিলেন রকিবুল হাসান। ৪৯ বলে এগারটি চার ও এক ছক্কায় ৭৪ রান করেন তিনি। ২২ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন সোহাগ গাজী। অবশ্য শেষ পাঁচ ব্যাটসম্যান দুই অঙ্ক ছুঁতে না পারায় সাড়ে তিনশ হয়নি মোহামেডানের ইনিংস। তিন বল বাকি থাকতে তারা অলআউট হয় ৩২৪ রানে।
সাইনপুকুরের হয়ে দেলোয়ার হোসেন পাঁচটি ও সোহরাওয়ার্দী শুভ দুটি উইকেট নেন।
বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুটা মনের মতো হয়নি সাইনপুকুরের। ৩২ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ১১৭ রানের মধ্যেই পাঁচ উইকেট নেই। প্রথম চার ব্যাটসম্যানের মধ্যে কেবল রান পান উন্মুক্ত চাদ। ৪৯ রান করে আউট হন তিনি।
একপাশ আগলে রেখে ব্যাট চালিয়ে যান আফিফ। তাকে ভালো সঙ্গ দেন অমিত হাসান ৪৩, সোহরাওয়ার্দী শুভ ৩৪ ও বল হাতে সফল দেলোয়ার হোসেন ৩৪। তবে ৮৬ বলে চারটি চার ও পাঁচ ছক্কায় ৯৭ রান করে কাজের কাজটা করে দেন আফিফই। তিন রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেও দলের জয়ে সেটা আর বড় হয়ে ওঠেনি। দুই বল বাকি থাকতে দুই উইকেট হাতে রেখে জয় পেয়ে যায় সাইনপুকুর।
মোহামেডানের হয়ে সোহাগ গাজী ও রজত ভাটিয়া দুটি করে উইকেট নেন।








