গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবছরও সাশ্রয়ী দামে ঝামেলামুক্ত কোরবানি নিয়ে এসেছে হেক্সা ট্রেডিং।
২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারিতে যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের কুরবানি, তখনই ৬ বন্ধুর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটি প্রথম অনলাইনে দেশি ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের খাসি বিক্রির উদ্যোগ নেয়। শুধু তাই নয়, কুরবানিদাতাকে সম্পূর্ণ করোনার ঝুঁকিমুক্ত রাখতে নিজস্ব পশু জবাই কেন্দ্রে, নিজেদের কসাই দিয়ে কুরবানি এবং মাংস প্রস্তুতকরণের ব্যবস্থাও করেছিল তারা।
এবছর করোনা সংক্রমনের হার উর্দ্ধমুখি এবং আরও ভয়াবহ হওয়ায় কুরবানিদাতাদের অনুরোধে এবারও সেই সেবা নিয়ে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। গতবারের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আরও উন্নত সেবা দিতে প্রস্তুত হেক্সা।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তাদের এ উদ্যোগ ঝুঁকিমুক্তভাবে কুরবানিদাতাদের, ঘরে বসেই কৃষক-খামারিদের কাছ থেকে সংগৃহীত দেশি ছাগল পেতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতকরণের ঝামেলা থেকেও তারা মুক্তি পাবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, গতবছরের মতোই তাদের এই উদ্যোগে, ব্যবসার থেকেও সামাজিক দায়বদ্ধতাই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

অনলাইনে সরকারিভাবে কুরবানির হাটের পাশাপাশি ফেসবুকেও প্রতিষ্ঠানটির এই সামাজিক উদ্যোগ, অত্যন্ত প্রশংসিত হচ্ছে। প্রতি কেজি মাত্র ৫৫০ টাকায়, খাসি বিক্রির ঘটনা অনেককেই অবাক করেছে। কারণ কুরবানীর বাজারে, এত অল্প দামে পশু সরবরাহের নজির খুব একটা নেই। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায়, নামমাত্র খরচে পশু কুরবানি ও মাংস প্রস্তুতের দায়িত্ব নেওয়ার উদ্যোগকেও স্বাগত জানাচ্ছে সবাই।
উদ্যোক্তাদের একজন জানালেন, শুধুমাত্র করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলাতেই তারা ভূমিকা রাখছেন না, বরং কুষ্টিয়া, যশোর, চুয়াডাঙ্গার প্রত্যন্ত অঞ্চলে, সম্পূর্ণ দেশি ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন করা খামারি ও কৃষকদের পৃষ্ঠপোষকতা দিতেও তারা উদ্যোগী হয়েছেন।
সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পশু সংগ্রহ করেন বলে, তারা অন্যদের চেয়ে কম দামে পশু সরবরাহ করতে পারছেন। আবার কৃষকও বেশি লাভবান হচ্ছে বলে, তারা শতভাগ দেশি জাতের পশু পালনে আরো বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে, এমনটাই বিশ্বাস উদ্যোক্তাদের।
সরকারি অনলাইন কুরবানির হাট কিংবা প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেইজ ( www.fb.com/HEXATrading )-এ পাওয়া যাবে তাদের সেবা।
অথবা যোগাযোগ করতে পারেন 01886439223, 01717163323, 01730079296 নাম্বারগুলোতে।








