ম্যাচের দুঘণ্টা আগে জানা গেল খেলতে পারছেন না দলের সেরা তারকা মোহামেদ সালাহ। অগত্যা তাকে ছাড়াই নামতে হল মিশরকে। পরে মাঠের খেলায় সালাহর অনুপস্থিতি প্রভাব ফেলল না, দলটি প্রায় কাঁপিয়েই দিয়েছিল দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে। হার অবশ্য আটকাতে পারেনি। শেষ মিনিটের দারুণ এক গোলে জিতে মাঠ ছেড়েছে লাতিন জায়ান্টরা।
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনে একাটেরিনবার্গে হোসে জিমিনেজের একমাত্র গোলে মিশরের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানের কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে উরুগুয়ে।
বিশ্বকাপে তিন দেখায় এক জয়, দুই ড্র! শেষ দেখায় ২০০৬ সালে মিশরকে ২-০ গোলে হারানোর মধুর স্মৃতি নিয়েই মাঠে নামে উরুগুয়ে। মাঠে দুদল খেলেছে রক্ষণ সামলে। ২৩ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের সিজার কিক ছাড়া প্রথম আধাঘণ্টায় আক্রমণের দেখা মেলেনি।
ম্যাড়ম্যাড়ে প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে গা-ঝারা দিয়ে ওঠে উরুগুয়ে। ৪৭ মিনিটে মিশরের জাল বরাবর সুয়ারেজের দারুণ এক ভলি আটকে যায় প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের গ্লাভসে।
গোল পেতে পারতো মিশরও। ৭২ মিনিটে আহমেদ ফাতি গোলা শট ছুঁড়েছিলেন উরুগুয়ের জাল বরাবর। কিন্তু ফলাফল শূন্য!
ম্যাচের ৮৩ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ হাতছাড়া হয় সাউথ আমেরিকান জায়ান্টদের। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এডিনসন কাভানির বুলেট শট লাফিয়ে ঠেকান মিশর গোলরক্ষক এল-সেনাউয়ি। পাঁচ মিনিট বাদে পিএসজি ফরোয়ার্ডের ফ্রি-কিক ফিরে আসে বারে লেগে।
একের পর এক আক্রমণ ব্যর্থ হওয়ায় ম্যাচ যখন গোলশূন্য ড্রয়ের পথে, তখনই খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেন উরুগুয়ের হোসে জিমিনেজ। ঠিক ৯০ মিনিটে কার্লোস সানচেজের নেয়া ফ্রি-কিক থেকে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ডিফেন্ডারের হেড মিশর গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে ঠাই নেয় জালে। তাতেই তিন পয়েন্ট নিশ্চিত হয় উরুগুইয়ানদের।
গ্রুপ ‘এ’তে মিশর তাদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে স্বাগতিক রাশিয়ার বিপক্ষে ১৯ জুন। তার পরের দিন উরুগুয়ে খেলবে সৌদি আরবের বিপক্ষে।









