আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে সারাদেশে ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নির্বাচনী কমিটি গঠনের কাজ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। মনোনয়ন ঘোষণার আগে অভ্যন্তরীণ কোন্দল মেটানোর চেষ্টা চলছে। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক শাস্তির বিষয়েও সতর্ক করা হচ্ছে।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছিলেন ১৫ জন। এদের বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। অতীতেও দলীয় কোন্দলের কারণে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে অনেক আসনে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হতে হয়েছে। এজন্য এবার আগে থেকেই অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে একসঙ্গে কাজ করার আগাম নির্দেশনা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
জোট থাকলেও তিনশ’ আসনেই দলীয়ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনী আসন প্রতি সব ভোট কেন্দ্রের ভোটারদের অবস্থা জানতে কমিটি গঠনের কাজ শুরু হয়েছে।
দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণার সঙ্গে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র মাঠ পর্যায়ে তুলে ধরতেও কেন্দ্র থেকে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তফশিল ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে বলা হবে।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে






