সাব্বির রহমানের ঝড়ো ৮০ রানের ওপর ভর করে শ্রীলঙ্কাকে জয়ের জন্য ১৪৮ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ। তার জবাবে এখন ব্যাট করছে শ্রীলঙ্কা।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১৬ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ৯৮ রান।
মুস্তাফিজের পর মাশরাফির আঘাত। মাশরাফিকে তুলে মারতে গিয়ে মিড উইকেটে সাব্বির তালুবন্দী হন মেলিন্ডা। তার বিদায়ে এখন ক্রিজে আছেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস এবং ধানুশ সানাকা।
১৪তম ওভারে থিসারা পেরেরাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে খেলায় ফেরান কাটার বয় মুস্তাফিজ। তার বলে পেরেরা এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন।
জয়সুরিয়ার সঙ্গে ৫৬ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ফেরেন চান্দিমাল। চান্ডিমাল মাহমুদউল্লাহর বলে সীমানার কাছে নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচে দিয়ে ফেরার এক রান বাদেই সাকিবের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন আরেক সেট ব্যাটসম্যান জয়সুরিয়া। চাডিন্ডমাল করেন ৩৭ এবং জয়সুরিয়ার ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান।
শুরুতেই তিলেকারত্নে দিলশানকে ফিরিয়ে টাইগারদের সাফল্য এনে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। সাকিবের বল তুলে মারতে গিয়ে মিড অফে সৌম্য সরকারের তালুবন্দী হন তিনি। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১২ রান।
মাত্র দুই রানের মধ্যে ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশ একটা পর্যায়ে ২৬ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে বসে। কিন্তু এরপরই সাব্বির-সাকিবের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তাদের জুটি থেকে আসে ৮২ রান। যা টি২০তে বাংলাদেশের নবম সর্বোচ্চ।
ম্যাচের শুরুতেই মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু স্কোর বোর্ডে কোন রান যোগ না হতেই মোহম্মদ মিথুনকে ফিরিয়ে লঙ্কানদের প্রথম সাফল্য এনে দেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। আমিরাতে বিপক্ষে ৪৭ রান করে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেওয়া মিথুন আজ ফেরেন শূন্য রানে।
মিথুনের পর লঙ্কানদের দ্বিতীয় শিকার সৌম্য সরকার। রানের খাতা খোলার আগেই তাকে ফেরান নুয়ান কুলাসেকারা। স্কোর বোর্ডে রান তখন মাত্র ২।
পঞ্চম ওভারে রান আউটের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মুশফিকুর রহিম। ফেরার আগে তিনি সাব্বিরের সঙ্গে ২৪ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। যদিও তাতে তার অবদান মাত্র ৪ রান।
এরপরই সাকিবের সঙ্গে ৮২ রানের জুটি গড়ে দাশমাথ চামিরার শিকার হয়ে ফেরেন সাব্বির। ৫৪ বল থেকে ৮০ রানের ইনিংসটিতে ছিলো ১০টি চার এবং ৩টি ছয়ের মার।
সাব্বিরের পর চামিরার দ্বিতীয় শিকার সাকিব। তবে ফেরার আগে ৩৪ বল থেকে তিনি খেলেন সময় উপযোগী ইনিংস। এরপর মাহামুদউল্লাহর ১২ বলে ঝড়ো ২৩ রানে ১৪৭ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
শ্রীলঙ্কার পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পান দাশমাথ চামিরা।






