ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের সময় তিনি একের পর এক তীর ছুঁড়েছেন বিসিবির দিকে। সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞার পর আরও সরব বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। তার অভিযোগ, সাকিবের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন মিথ্যাচার করেছেন। এখন পাশে থাকার কথা বললেও আগে থেকে সব জেনে শাস্তি কমাতে কোনো ভূমিকাই নেয়নি বোর্ড।
জুয়াড়ির সঙ্গে একাধিকবার কথা চালাচালি ও সেটি আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটের কাছে গোপন করার অভিযোগে মঙ্গলবার দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে বাংলাদেশ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। যার একবছর অবশ্য স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটি।
তারপর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ ঝাড়তে থাকেন সাবের হোসেন। বিসিবি ও সংস্থাটির সভাপতিকে নিয়ে আক্রমণাত্মক বার্তা লিখতে থাকেন টুইটারে। একাধিক টুইটে তিনি নাজমুল হাসান ও তার বোর্ড পরিচালনা পর্ষদকে নিশানা করেছেন।
সাবের হোসেন লিখেছেন, ‘অপরাধ করলে শাস্তি মিলবে। বিসিবি অন্তত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কমানোর চেষ্টা করতে পারত। দুঃখজনক যে, বিসিবি এক্ষেত্রে সাকিবের পাশে দাঁড়ায়নি এবং এখন মায়াকান্না করছে।’
ক্রিকেটারদের আন্দোলনের পর একাধিক সাক্ষাতকারে নাজমুল হাসান ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বড় কোনো খবর আসছে। সেটি টেনে সাবের লিখেছেন, ‘আমার মনে হয় বিসিবি সবকিছুই জানত এবং জনাব পাপনের বক্তব্য এক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য নয় যে তার কোনো ধারণাই ছিল না।’
এরপর তিনি পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও যুক্ত করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে সংবাদমাধ্যমের সামনে বিসিবি সভাপতি বলছেন, শিগগিরই ম্যাচ ফিক্সিংয়ের খবর আসবে। সেই ভিডিওর কথা টেনে সাবের লিখেছেন, দেখে মনে হচ্ছে জনাব পাপন যেন আইসিসির ঘোষণার জন্য অধীর হয়ে অপেক্ষা করছেন।
অপর এক টুইটে বিসিবির সাবেক প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘হিপোক্রেসি, ডাবল স্ট্যান্ডার্ডের সর্বোৎকৃষ্ট/নিকৃষ্ট- বিসিবি আইসিসির সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছে, ক্রিকেটের দুর্নীতির বিরুদ্ধে একইরকম আবেগ দেখিয়েছে। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মূলোৎপাটন না করে বরং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও উৎসাহিত করেছে। লজ্জাজনক!’







