এশিয়া কাপ ফাইনালের আগে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আমূল বদলে দেওয়া আইসিসি ফাইনালকে স্মরণে আনছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। উত্তরসূরীদের কাছে তেমন একটি রঙিন উৎসবের প্রত্যাশারা কথা বললেও চাপমুক্ত থাকার পরামর্শও তাদের।
ফাইনাল মানেই বাড়তি চাপ, বাড়তি সতর্কতা। মাঠের ভেতর বাইরে সবকিছুই যেনো দ্বিগুণ। ফাইনালটা তাই হিসাব নিকাশেরও। কারণ সামান্য ভুলে বড় ক্ষতির আশঙ্কা পুরোটা সময়।
কিন্তু ফাইনালে উঠে কেউই তো হারতে চায় না। ২০১২ সালের এশিয়াকাপে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিলো এই মিরপুরে, কিন্তু ৯৭ সালে মালয়েশিয়ার কুয়াললালামপুরে বাংলাদেশই তো বানিয়েছিলো ইতিহাস। সেই কথাটাই মনে করিয়ে দিয়েছেন আইসিসি ট্রফি জয়ী স্কোয়াডের দুই তারকা।
সাবেক স্পিন অলরাউন্ডার মোহাম্মদ রফিক বলেন, আমাদের হারানোর তেমন কিছু নেই। কিন্তু ওদের(ভারতের)হারানোর অনেক কিছু রয়েছে। তবে আমরা যদি ট্রফিটা একবার জিতে যাই, তাহলে অলিগলিতে যারা ক্রিকেট খেলে এটা তাদের আরো উৎসাহ দেবে। আর আমাদের ক্রিকেটটা আরো উন্নতি করবে।
সাবেক পেসার হাসিবুল হাসান শান্ত বলেন, সেই ফাইনাল আর এটা একরকম নয়। এটা জিতলে বলা হবে আমরা এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু হারলেও তেমন কোনো ক্ষতি নেই। তবে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালটা কিন্তু দেশের ক্রিকেটের দৃশ্যপট পাল্টে দেওয়ার একটা ঘটনা ছিল।
স্বাগতিক হওয়ায় পুরো হোম অব ক্রিকেটই থাকবে লাল-সবুজের পক্ষে। আর তাদের জন্য কিছু করতে হলে করতে হবে মাঠের ১১ টাইগারকেই। ভারতকে পেছনে ফেলতে হবে সব ডিপার্টমেন্টে।
মোহাম্মদ রফিক বলেন, টিমের কোনো একটা ডিপার্টমেন্টকে যদি হালকাভাবে নেন, তাহলে পারবেন না। সব ডিপার্টমেন্টেই ভালো করতে হবে। পরিকল্পনা করতে হবে পুরো টিম নিয়েই।
শান্ত বলেন, প্রথমসারির ব্যাটসম্যানদের ভালো রান করতে হবে। সেই সাথে ফিল্ডিংটাও ভালো করতে হবে। ব্যাটসম্যানরা যদি রান করতে পারে, তাহলে এখন আমাদের যে বোলিং আক্রমণ তাতে জেতা সম্ভব। কারণ আমাদের বোলিং আক্রমণ শুধু এশিয়া না পুরো বিশ্বের মধ্যেই সেরা।
ভারত-পাকিস্তানের হাইভোল্টেজ ম্যাচ একতরফা হলেও ফাইনালটা এমন হবে না বলেই মনে করছেন টিম ইন্ডিয়াকে অনুসরণ করা ভারতীয় গণমাধ্যম।
আজকের গ্র্যান্ড ফাইনালে যারাই জয়ী হউক, চূড়ান্ত জয়টা হোক ক্রিকেটের, এমন চাওয়া সাবেক ক্রিকেটারদের।






