সাফ চ্যাম্পিয়ন অনূর্ধ্ব-১৬ দলের জন্য উন্নত সুযোগ সুবিধার আশ্বাস দিয়েছে বাফুফে। আর আশ্বাস অনুযায়ী সব কিছু পেলে বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য আরও অনেক সাফল্য বয়ে আনবে তারা বলছে, সাফ চ্যাম্পিয়ন অনূর্ধ্ব-১৬ দল। ভবিষ্যতের জাতীয় দলের হয়েও মাঠে নামার স্বপ্ন দেখছে নিপু-শাওনদের মতো কিশোর ফুটবলাররা।
২০০৩ সালে বড়দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর ফুটবলে আর কোনো সাফল্য নেই বাংলাদেশের। ১২ বছর পর সে যন্ত্রণার অবসান ঘটিয়েছে ছোটরা। সিলেটের মাঠে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েই ঢাকায় ফিরেছে বাংলাদেশের কিশোর দল।
ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হওয়া নিপু জানালেন, যেহেতু চার বছরের কোর্স, এর মধ্যে ম্যাচ ও প্রাকটিসের সুযোগ পাবো আমরা। আমাদের অনেক ইমপ্রুভ হবে। এর মধ্য থেকেই অনেকে ন্যাশনাল টিমে ঢুকে যাবে।
অধিনায়ক শাওনের মুখেও একই উচ্চারণ, বাফুফের সঠিক সুযোগ সুবিধা পেলে আমরা ভবিষ্যতে আরো উন্নীত করবো।
শাওন-নিপু-ফয়সালদের এমন অবিস্মরণীয় সাফল্যের জন্য অফিশিয়ালি কোন ‘পারফরমেন্স বোনাস’ ঘোষণা না করলেও তাদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে ফুটবল ফেডারেশন।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানান, আমরা এই দলটাকে নিয়ে ভালোভাবে কাজ করতে কমিটেড।পারফরমেন্স বোনাসের চাইতে এই টিমটার টেকনিক্যাল ও ট্যাকটিক্যাল ডেভেলপমেন্টের প্রতি আমাদের নজর বেশী থাকবে।
সামনের মাসেই শাওনদের নতুন অ্যাসাইনমেন্ট। ঘরের মাঠে এএফসি টুর্নামেন্ট। সাফজয়ী লাল-সবুজ দলের চোখ তাই সে টুর্নামেন্টে।
কোচ গোলাম জিলানি জানালেন, ভারত শ্রীলঙ্কা সহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে টুর্নামেন্ট হয়। এসব টুর্নামেন্টে আমরা অংশ নিতে পারলে আরো উন্নতি করতে পারবো।
১৬ সেপ্টেম্বর থেকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হবে এএফসি আন্ডার সিক্সটিনের বাছাই। ডি গ্রুপে বাংলাদেশের দুই প্রতিপক্ষ সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ।






