যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে সান্টা ফে হাই স্কুলে গোলাগুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন সাবেক শিক্ষার্থী পুলিশকে বলেছে, হামলা চালানোর সময় সে বেছে বেছে পছন্দের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে প্রাণভিক্ষা দিয়েছিল। যেন ওই শিক্ষার্থীরা তার গল্প সবাইকে জানাতে পারে।
১৭ বছর বয়সী সন্দেহভাজন হামলাকারী দিমিত্রিয়োস পাগুরজিসকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদের নথিপত্র আদালতে পেশ করে এ তথ্য জানায় পুলিশ।
দিমিত্রিয়োসের বিরুদ্ধে ১০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালতে জমা দেয়া ওই স্বীকারোক্তি অনুসারে, দিমিত্রিয়োস জিজ্ঞাসাবাদে তার নীরব থাকার অধিকার ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং একাধিক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে বলে স্বীকারোক্তি দেয়।
কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যমতে, আত্মসমর্পণের আগে সে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল।
নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ওই বন্দুকযুদ্ধ ১৫ মিনিটের মতো চলার পর হামলাকারী কিশোর তার আত্মহত্যার পরিকল্পনা বাদ দিয়ে পুলিশের হাতে নিজেকে তুলে দেয়।
পুলিশের দেয়া সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, শুক্রবারের ওই হামলায় ৮ শিক্ষার্থী ও ২ শিক্ষক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন। তাদের মধ্যে আহত পুলিশ কর্মকর্তা জন বারনেসের অবস্থা গুরুতর।

এর আগে শনিবার পুলিশ জানায়, দিমিত্রিয়োস পাগুরজিস তার বাবার দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র চুরি করে এনে হামলা চালিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিবিসি জানায়, দিমিত্রিয়োস বাবার কাছ থেকে একটি শটগান ও একটি রিভলবার চুরি করেছিল। দু’টি অস্ত্রই সে শুক্রবার স্কুলে হামলার কাজে ব্যবহার করেছে।
অস্ত্র দু’টি অবশ্য বৈধভাবে কিনেই নিজের কাছে রাখতেন দিমিত্রিয়োসের বাবা।
টেক্সাস গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট জানান, সন্দেহভাজনের ডায়রি, কম্পিউটার এবং মোবাইল ফোনে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সান্টা ফে স্কুলের ভেতর এবং ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক যন্ত্র খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। এগুলোর মধ্যে একটি কার্বন ডাই-অক্সাইড ডিভাইস এবং একটি মোলোটভ ককটেলও রয়েছে।








