তাসকিন আহমেদ এবং আরাফাত সানির তাদের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা প্রমাণে সময় পাচ্ছেন সাত দিন। বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস ম্যাচের দায়িত্ব প্রাপ্ত দুই আম্পায়ার তাদের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করায় আইসিসি অনুমোদিত ল্যাবে এখন তাদের পরীক্ষা দিতে হবে। বিশ্বকাপের মূল আসরে মাঠে নামার আগে সানি-তাসকিন ‘ইস্যু’ টাইগার ক্রিকেট প্রেমিদের জন্য এটা বড় আঘাত হয়ে এসেছে।
যদি এ পরীক্ষায় তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে বিশ্বকাপে এ দুই টাইগারের আর খেলা হবেনা! বোলিং অ্যাকশন শুধরে-বৈধতার সাটিফিকেট নিয়ে তবেই আবার মাঠে নামতে হবে তাদের।
তবে আইসিসি’র নিজস্ব টুর্নামেন্ট বলেই সময় ৭ দিন। একটা যদি দ্বিপক্ষীয় কোন সিরিজ বা স্ব-উদ্যোগে আয়োজিত একাধিক দেশের টুর্নামেন্ট হতো সময় পেতেন ১৪ দিন।
কোন ম্যাচের দায়িত্ব প্রাপ্ত কোন আম্পায়ার যখন কোন বোলারের বোলিং অ্যাকশান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তখনই এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। আইসিসি নির্ধারীত ১৫ ডিগ্রি’র বেশি হাত বেঁকে থাকলে ওই বোলারকে আইসিসি অনুমোদিত ল্যাবে পরীক্ষা দিতে হয়।
বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস ম্যাচ শেষে দায়িত্ব প্রাপ্ত দুই আম্পায়ার সুন্দরম রবি(ভারতীয়) এবং রড টাকার(অস্ট্রেলিয়া) সানি-তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। অভিযোগ করেন, বল করার সময় তাদের হাত ১৫ ডিগ্রি’র বেশি বেঁকে যায়। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানায় আইসিসি।
হাতে আছে সাত দিন। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ তাদের ইচ্ছে মতো সময়ে গিয়ে চেন্নাই থেকে পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারবে। তাই গ্রুপ পর্বে অন্য দুই ম্যাচ আয়ারল্যান্ড এবং ওমানের বিপক্ষে খেলতে বাধা নেই তাদের।






