আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, পর্যবেক্ষক সংস্থা, নারীনেত্রী, নির্বাচন পরিচালনায় বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের মতামতও নেবে নির্বাচনক কমিশন (ইসি)।
রোববার দুপুরে কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ।
ইসি সচিব বলেন: সাধারণ জনগণ চাইলে মতামত দিতে পারবে। এক্ষেত্রে কমিশনের মেইল বা ডাকযোগে তাদের মতামত দিতে পারবেন।
তবে এ জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আহ্বান করা হবে না বলে জানান তিনি।
রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু হবে জানিয়ে হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন: প্রতিদিন দুটি করে দলকে ডাকা হবে সংলাপের জন্য। নিবন্ধিত দলগুলোর তালিকার শেষ দিক থেকে দলগুলোকে পর্যায়ক্রমে ডাকা হবে। বড় দলগুলোর কতজন প্রতিনিধি নিতে পারবে সে সিদ্ধান্ত না হলেও ছোট দলগুলোর দশজন করে প্রতিনিধি সংলাপে অংশ নিতে পারবে।
তিনি বলেন: এ মাসে ছয়টি দলের সঙ্গে সংলাপের পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। এরপর ঈদের ছুটির পর ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসবে কমিশন।
চলতি মাসের ১৬-১৭ তারিখ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন: আমরা দুটি ভাগে ভাগ করে মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে আলাপ করবো। যাদের আমন্ত্রণ জানাবো সে তালিকা প্রস্তুত হয়ে গেছে। দুই এক দিনের মধ্যেই চিঠি দেওয়া শুরু হবে।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ অত্যন্ত সফল এবং ফলপ্রসূ হয়েছে জানিয়ে হেলালুদ্দিন আহমেদ বলেন: সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অনেক গুরুত্বপুর্ণ তথ্য, মতামত এবং পরামর্শ দিয়েছেন। কমিশন সেগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে।
সংলাপে অংশ নেওয়া বিশিষ্টজনেরা জানিয়েছেন সংলাপে ভোটার, দল ও প্রার্থীদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টির ওপর জোর দিয়েছেন তারা। এ ক্ষেত্রে কমিশন কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা বুঝতে চাওয়ার পাশাপাশি কিছু সুপারিশও তারা তুলে ধরেন তারা।
গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রনিনিধিদের সঙ্গে শুরু হওয়া এ সংলাপ পর্যায়ক্রমে চলবে গণমাধ্যম, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, পর্যবেক্ষক সংস্থা, নারীনেত্রী, নির্বাচন পরিচালনায় বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে।








