শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত সাত খুনের মতো হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন নির্যাতিত ওই শিক্ষক।
সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের পক্ষ থেকে প্রতিদিন হাসপাতালে বিশ্বজিৎ নামের একটি ছেলে এসে ওই হুমকি দিত জানিয়ে বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তরকে তিনি টেলিফোনে বলেন, সেলিম ওসমান
সংবাদ সম্মেলনে যেভাবে বললেন আমাকে সে প্রাণ ভিক্ষা দিয়েছেন কথাটি সম্পূর্ণ
মিথ্যা।’
‘তিনি বরং সেদিন আমার কাছে কোনো কিছু না জিজ্ঞেস করে দু’গালে চারটি
থাপ্পড় মেরে বলে সালা বাইরে চল। বাইরে এনে সবার সামনে কান ধরে উঠবস করিয়েছেন।’
বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে ওই শিক্ষকের জীবন বাঁচিয়েছেন দাবি করে সেলিম ওসমান বলেন, আমি যদি এটা না করতাম তাহলে তাকে কুচিকুচি করে কেটে ফেলা হতো। তাকে বাঁচিয়েছি বলে সে এবং তার পরিবার লিখিতভাবে আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
এ প্রসঙ্গে শ্যামল কান্তি ভক্ত বলেন, ‘এটা মিথ্যা কথা; আমি কোনো কাগজে সই করিনি। কিন্তু হাসাপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময় বিশ্বজিৎ নামে একটি ছেলে আমার কাছে আমার নাম লেখা কাগজ নিয়ে আসেন আর বলেন, সই না করলে সাত খুনের মতো আমাকেও খুন করবে।’
‘ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে কটূক্তির’ অভিযোগে গত ১৩ মে শ্যামল কান্তি
ভক্তকে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমান আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে কান ধরে ওঠবস করান। এর আগে ওই
শিক্ষককে মারধোরও করা হয়।
প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ করেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির দ্বন্দ্বের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।








