কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বিদায় করে নবম আইপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফাইয়ারে উঠে গেছে মুস্তাফিজুর রহমানের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ১৬৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২২ রান বাকি থাকতেই নির্ধারিত ওভার শেষ করে সাকিববিহীন নাইটরা।
ডেড ওভারে বল করতে এসে মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভার বল করে খরচ করেন ২৮ রান।
সানরাইজার্সের ১৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৫ রানেই রবিন উথাপ্পার উইকেট হারিয়ে বসে কলকাতা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে কিউই ব্যাটসম্যান কলিন মুনরো এবং গৌতম গাম্ভীরের ৩৮ রানের জুটিতে আবারও খেলায় ফেরে কলকাতা।
তবে মাত্র ১৫ রানের ব্যবধানে মুনরো-গাম্ভীর এবং পাঠান ফিরে গেলে জয়টা দূরে সরে যায় কলকাতার। শেষ দিকে মনিশ পাণ্ডের ৩৬ ও জাদভের ২৩ রানের ইনিংসে জয়ের ইঙ্গিত থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি নাইটদের। ২২ রান আগেই থামতে হয় সাকিববিহীন শাহারুখের দলের।
এর আগে, টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে সাকিববিহীন কলকাতার সামনে ২০ ওভারে জয়ের জন্য ১৬৩ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়েছে সানরাইজার্স হায়দারাবাদ। 
টসে
হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একটু ঢিলে-ঢালা ছিলো সানরাইজার্সের। স্কোর
বোর্ডে ১২ রান যোগ হতেই শিখর ধাওয়ানের বিদায় কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলে
দিয়েছিলো মুস্তাফিজের দলের।
তবে দলের অন্যতম ভরসার প্রতীক ডেভিড
ওয়ার্নারের ব্যাটে আবারও পথ দেখে দলটি। টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান
শিকারী অবশ্য আজ সেভাবে জ্বলে ওঠতে পারেননি।
দশম ওভারে যাদভের বলে
প্যাভিলিয়নের পথ ধরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৮ বলে সময় উপযোগী ২৮ রান।
ধাওয়ানের উইকেটটি তুলে নেন মরনে মরকেল।
প্রথম পাঁচ ওভারে ১ উইকেট
হারিয়ে ৩১ রান তোলার পর পরবর্তী পাঁচ ওভারে দু’উইকেটের বিনিময়ে তুলে নেয় ৪০
রান। পরবর্তী পাঁচ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে স্কোর বোর্ডে যোগ হয় আরও ৪০
রান। 
শেষ দিকে যুবরাজ সিংয়ের ব্যাটে ১৬৩ রানের লড়াকু টার্গেট দাঁড়
করাতে সমর্থ হয় সানরাইজার্স। যুবরাজ ৩০ বলে ১ ছ্ক্কা এবং ৮ চারে খেলেন ৪০
রানের ইনিংস। শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে মরকেলকে পরপর দুই বলে সীমানা ছাড়া
করলে সানরাইজার্সের ইনিংস থামে ১৬২ রানে।
ফাইনালের পথে দ্বিতীয় কোয়ালিফাইয়ারে ২৭মে শুক্রবার গুজরাট লায়ন্সের মুখোমুখি হবে সানরাইজার্স হায়দারাবাদ।







