প্রায় ছয় মাস ধরে আঙুলের চোটে ভুগছেন সাকিব আল হাসান। সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও খেলেছেন ব্যথা নিয়েই। এভাবে লম্বা সময় খেলা চালিয়ে যাওয়া তার জন্যে কঠিন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। সাকিব নিজেও যতদ্রুত সম্ভব অপারেশন করাতে চান।
কিন্তু সামনেই এশিয়া কাপ। তার আগে অপারেশন করালে গুরুত্বপূর্ণ এই টুর্নামেন্টে সাকিবের মতো ক্রিকেটারকে পাবে না বাংলাদেশ। তাই সাকিবের অপারেশন এশিয়া কাপের আগে হবে নাকি পরে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত এখনো ঝুলেই আছে। তবে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান সিদ্ধান্তের বিষয়টি সাকিবের উপরই ছেড়ে দিয়েছেন।
মঙ্গলবার বিসিবিতে নাজমুল হাসান বলেন, ‘এটা নিয়ে কোনো দ্বিধার ব্যাপার নেই। আমরা একটা চাচ্ছি, সাকিব ভিন্ন কিছু চাইছে… বিষয়টি এমন নয়। তার যে হাতে ব্যথা, আর অপারেশন লাগবে এটাই তো ঠিক মত জানা ছিল না। সে যে ওয়েস্ট ইন্ডিজে খেলে আসল আর নিধাস কাপ খেলে আসল, আমরা তো তার ইনজুরি নিয়ে কিছুই জানি না। এই সিরিজের ফাইনাল খেলার পর জানতে পারলাম। এর আগে তো জানাই ছিল না যে তার হাতে ব্যথা।’
‘বিষয়টা আমাদের জন্য একেবারেই নতুন। শুধু সাকিব নয়, যেকোনো খেলোয়াড়ের হাতে যদি ব্যথা থাকে, আমরা তো অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব সেটার সমাধান চাইব। দেশে ফেরার পর কোচের সাথে বৈঠকে জানা গেল, সে এখন অপারেশন করাতে চাইছে। তখন আমার মনে হয়েছে, যদি হাতে ব্যথা থাকে তাহলে তো আর খেলতেই পারবে না। কিন্তু যদি পরে করার সুযোগ থাকে তাহলে আমরা অবশ্যই চাইব যে জিম্বাবুয়ে সিরিজ কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সময় করলে ভালো হয়, দলের জন্যও ভালো হয়। এখন পুরোটাই নির্ভর করছে ফিজিও, ডাক্তার ও সাকিবের উপর,’-যোগ করেন বোর্ড সভাপতি।
হজ পালন করতে রোববার সৌদি আরব গেছেন সাকিব। তার আগে বোর্ড সভাপতির সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। নাজমুল হাসান বলেন, ‘সাকিব আমাকে যাওয়ার আগে ফোন করেছিল, জিজ্ঞেস করেছিল কি করবে সে। ‘তোমার যদি হাতে ব্যথা থাকে আর তুমি যদি মনে কর এভাবে খেললে সমস্যা হবে তাহলে তুমি অপারেশন করে ফেল’। আমি ঠিক এই কথাটাই বলেছি তাকে।’
এশিয়া কাপ প্রসঙ্গ তুলে বোর্ড সভাপতি বলেন, ‘সাকিবকে এটাও বলেছি, ‘তুমি যদি মনে কর এশিয়া কাপে খেলা সম্ভব, তাহলে এশিয়া কাপের পরে কর, দলের জন্য ভালো হবে। তবে সিদ্ধান্ত তোমার উপর।’







