মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের রিভিউ আবেদনের শুনানি পিছিয়ে ১৭ নভেম্বর ঠিক করেছেন আপিল বিভাগ। এর আগে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে নতুন ৮ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করার আবেদন খারিজ করে দেন আদালত।
বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশে ছিলেন না এর স্বপক্ষে পাকিস্তানে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী এবং বাংলাদেশের হাইকোর্ট বিভাগের এক বিচারপতিসহ ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য আবেদন করা হয়।
আসামীপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, এফিডেবিটগুলো দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম, টেকনিকাল রিজন অ্যাপিলেট ডিভিশন আমাদের এফিডেবিটগুলো রিজেক্ট করেছেন, কনটেক্সটাকে ডিসবিলিভ করেন নি। যেমন মাননীয় আদালত আজকে বলেছেন যে, রিভিউয়ে নতুন সাক্ষী আনার এমন কোনো নজীর নাই। সেহেতু আপনারা সাক্ষী আনার যে আবেদন করেছেন সেটাও আমরা রিজেক্ট করে দিলাম।
এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, আদালতের যে মন্তব্যগুলো ছিলো সেগুলো হলো, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ৭১ সালে যে বাংলাদেশে ছিলেন তার অকাট্য প্রমাণস্বরূপ প্রসিকিউশনের পক্ষে যে সমস্ত কাগজপত্র ও সাক্ষী প্রদান করা হয়েছিলো সেগুলো যেহেতু বিশ্বাস করা হয়েছে সুতরাং সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী দেশে ছিলেন না সেটাকে আর বিশ্বাস করা যায় না।
মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের রিভিউ আবেদনের শুনানি মুলতবি চেয়ে করা আবেদন গ্রহণ করে তাদের আইনজীবীর বিষয়ে করা আবেদনও নিষ্পত্তি করেন আপিল বিভাগ।
এটর্নি জেনারেল আরো বলেন, শিশির মনিরকে পুলিশ হ্যারাস করছে এইজন্য তিনি খন্দকার মাহবুব হোসেনকে সাহায্য করতে পারছেন না। এজন্য মামলার শুনানির মুলতবি চেয়েছেন। আদালত বলেছেন, কাউকে যদি অহেতুক পুলিশ হ্যারাস করে তাহলেতো তিনি অ্যান্টিসেপ্টারি বেলই নিতে পারেন। তিনি কোনো জামিন নেননি। সুতরাং তার এই দরখাস্তর কোনো মূল্য নেই।
জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীর আইনজীবীর বিষয়ে করা আবেদন মঙ্গলবার আপিলের শুনানির সময়ে শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আইনজীবীরা।







