সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুর পৌর মেয়রের গুলিতে সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল নিহতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
এদিকে মৃত্যুর প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রলীগের ডাকে অর্ধদিবস হরতাল পালিত হয়েছে। পৌরমেয়র মিরুর গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষ।
শাহজাদপুর পৌরসভার মেয়র এবং সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হালিমুল হক মিরুর শটগানের গুলিতে নিহত সমকাল প্রতিনিধি সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুলের মৃত্যু ও ছাত্রলীগ নেতা আহতের ঘটনার প্রতিবাদে উপজেলায় অর্ধদিবস হরতাল পালিত হয়েছে।
সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বেলা ১২টা পর্যন্ত চলা হরতালে সিরাজগঞ্জের সাংবাদিকরা সমর্থন জানান। অধিকাংশ দোকান-পাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। শহরের মোড়ে-মোড়ে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দোষীদের শাস্তি দাবীতে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী। বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয় শাহজাদুপরে।
ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ছাত্রলীগ নেতা বিজয়ের চাচা বাদী হয়ে শাহজাদপুর পৌরসভার মেয়র মিরুসহ ১৮ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করেছেন। মেয়রের ছোট ভাই পিন্টু ও মিন্টুকে আটক করেছে পুলিশ।
শাহজাদপুর পাইলট হাইস্কুল মাঠে শিমুল ও তার নানীর যানাজা হয়। যানাজায় সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। হত্যাকারীকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান স্থানীয়রা।
মাদলা গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা নামাজ শেষে মাদলা কাকিলামাড়ি কবরস্থানে দাফন করা হয় সাংবাদিক শিমুল ও তার নানিকে। শুক্রবার শাহজাদপুরে আওয়ামীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান সাংবাদিক শিমুল।








